ঢাকাFriday , 14 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

প্রেডিকশন মার্কেটে ‘মেনশন বেটিং’ নিয়ে তদন্তে ফেডারেল নিয়ন্ত্রক সংস্থা


August 14, 2026 1:15 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে প্রেডিকশন মার্কেট সাইটগুলোতে ‘মেনশন মার্কেট’ বা বক্তার কোনো বিশেষ শব্দ উচ্চারণ নিয়ে বাজি ধরার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ফেডারেল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কমোডিটি ফিউচার ট্রেডিং কমিশন (সিএফটিসি)। এই ধরনের বাজিতে বক্তা নির্দিষ্ট কোনো শব্দ উচ্চারণ করবেন কি করবেন না, তা নিয়ে কোটি কোটি ডলারের লেনদেন হয়ে থাকে। তদন্তের স্বার্থে এবং বাজির বৈধতা পর্যালোচনার জন্য কালশি তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে সব ধরনের ক্রীড়া বিষয়ক মেনশন মার্কেট আপাতত সরিয়ে নিয়েছে।

তদন্তের প্রেক্ষাপট
গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের একজন টেলিপ্রম্পটার অপারেটরের বিরুদ্ধে কালশিতে কারসাজি করে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ ওঠে। তিনি প্রেসিডেন্টের পাবলিক ভাষণে কোন শব্দ উচ্চারণ করা হবে, তা আগেভাগে জেনে বাজি ধরতেন বলে জানা গেছে। কালশি কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের অভ্যন্তরীণ নজরদারি ব্যবস্থা এই অস্বাভাবিক বাজি শনাক্ত করে ফেডারেল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছিল। এই ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো।

কেন গুরুত্বপূর্ণ
বিশেষজ্ঞদের মতে, মেনশন মার্কেটগুলো খুব সহজেই ম্যানিপুলেট বা কারসাজি করা সম্ভব। তাই এ ধরনের বাজারগুলো আর্থিক নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করা জরুরি হয়ে পড়েছে। ফেডারেল আইন অনুযায়ী, প্রেডিকশন মার্কেটগুলো এমন হওয়া উচিত নয় যা কারসাজি বা অভ্যন্তরীণ তথ্যের অপব্যবহারকে উৎসাহিত করে।

বর্তমান অবস্থা
কালশি এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বা সরাসরি সম্প্রচারিত সংবাদ অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে মেনশন মার্কেট চালু রেখেছে। তবে ক্রীড়া বিষয়ক বাজি বন্ধ করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের লেনদেনের একটি বড় অংশ হারাতে পারে, কারণ সাইটটির মোট লেনদেনের ৮০ শতাংশই আসে খেলাধুলা থেকে। এদিকে, কালশির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পলিমার্কেট তাদের বিদেশি সাইটে মেনশন মার্কেট চালিয়ে গেলেও তাদের যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সেবায় এমন কোনো অপশন রাখেনি।

ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা
মেনশন মার্কেটগুলো পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। এগুলো ভবিষ্যতে আবার চালু হবে কি না, সে বিষয়ে কালশি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। অতীতেও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বাজার পরিচালনার কারণে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে কালশি, যা এই নিয়ন্ত্রক তদন্তের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।