যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেটের সাংবাদিক আদনান আহমেদ ইয়ারবাডের শব্দের মান ও স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর এক কার্যকর ও সাশ্রয়ী সমাধানের কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বেশিরভাগ ওয়্যারলেস ইয়ারবাডের সঙ্গে দেওয়া সিলিকন টিপসের পরিবর্তে মেমোরি ফোমের টিপস ব্যবহার করলে বাসের মান উন্নত হয় এবং নয়েজ ক্যান্সেলেশন অনেক বেশি কার্যকর হয়।
কেন সিলিকন টিপস সবসময় যথেষ্ট নয়
অধিকাংশ ইয়ারবাড নির্মাতা সাশ্রয়ী হওয়ার কারণে সিলিকন টিপস সরবরাহ করে। কিন্তু মানুষের কানের গড়ন ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় সবার জন্য সিলিকন টিপস আরামদায়ক বা যথাযথ সিল প্রদান করতে পারে না। যদি টিপসটি কানে ঠিকমতো না বসে, তবে শব্দ বেরিয়ে যায় এবং বাইরের নয়েজ ভেতরে চলে আসে। এর ফলে মিউজিকের গভীরতা কমে যায় এবং বাসের মান দুর্বল মনে হয়।
মেমোরি ফোম টিপসের কার্যকারিতা
মেমোরি ফোম টিপস কানের নালীর আকার অনুযায়ী প্রসারিত হয় এবং খুব শক্তভাবে সিল তৈরি করে। এতে শব্দের লিক হওয়া কমে এবং মিউজিক অনেক বেশি পূর্ণাঙ্গ ও জোরালো শোনায়। এছাড়া এই টিপসগুলো প্যাসিভ নয়েজ আইসোলেশন বাড়ায়, যা অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যান্সেলেশন (ANC) প্রযুক্তির কার্যকারিতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। ব্যবহারকারীকে তখন আর উচ্চ ভলিউমের ওপর নির্ভর করতে হয় না।
ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ
বাজারে কমপ্লাই (Comply) ও সনিকফোম (Sonicfoam)-এর মতো ভালো মানের ফোম টিপস পাওয়া যায়। তবে কেনার আগে ইয়ারবাডের মডেলের সাথে সামঞ্জস্যতা যাচাই করে নেওয়া জরুরি। ফোম টিপসের কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। সিলিকনের তুলনায় এগুলো দ্রুত নষ্ট হয় এবং সাধারণত দুই থেকে তিন মাস পরপর পরিবর্তন করতে হয়। এছাড়া এগুলো সহজে ধুলোবালি বা ময়লা শোষণ করে, তাই নিয়মিত পরিষ্কার রাখা বা প্রতিবার ব্যবহারের আগে মুছে নেওয়া প্রয়োজন। দামের দিক থেকে এগুলো সাধারণত ১০ থেকে ৪০ ডলারের মধ্যে পাওয়া যায়।