যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম জেডডিনেট-এর জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ডেভিড গেউয়ার্টজ তার ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকা ২০১১ সালের একটি আইফোন ৪ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এর বর্তমান কার্যকারিতা ও উপযোগিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে ড্রয়ারে পড়ে থাকা এই স্মার্টফোনটি দিয়ে বর্তমানে আধুনিক কোনো কাজ করা সম্ভব কি না, তা যাচাই করাই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য।
পরীক্ষায় দেখা গেছে, আইফোন ৪ এখনো চালু হয়, তবে এর ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী নয়। বর্তমানের উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইক্লাউড এবং আধুনিক অ্যাপগুলো এই ডিভাইসের পুরনো সফটওয়্যারে সাপোর্ট করে না। ডিভাইসটির থ্রি-জি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি এখন প্রায় অকেজো এবং এর সাফারী ব্রাউজারও আধুনিক ওয়েবসাইটগুলো লোড করতে অক্ষম।
তবে ম্যাক কম্পিউটারের সঙ্গে ক্যাবল দিয়ে সংযুক্ত করলে ডিভাইসটিকে একটি মিউজিক প্লেয়ার বা আইপড হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া যারা ভিনটেজ প্রযুক্তির সংগ্রাহক, তাদের কাছে এটি শখের বস্তু হতে পারে। তবে সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য এটি এখন আর কার্যকর কোনো স্মার্টফোন নয়।
বাজারমূল্য সম্পর্কে গেউয়ার্টজ জানান, ই-বে’র মতো প্ল্যাটফর্মে আইফোন ৪-এর দাম মাত্র ৫ থেকে ৩০ ডলারের মতো দেখা গেলেও, বাস্তবে এর তেমন কোনো চাহিদা নেই। কারণ বর্তমান মোবাইল নেটওয়ার্কগুলোতে থ্রি-জি সমর্থিত ফোনগুলো আর কাজ করে না।
পরিশেষে, পরিবেশের সুরক্ষায় এবং অপ্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক বর্জ্য কমাতে পুরনো এই ডিভাইসগুলো রিসাইকেল সেন্টারে জমা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। কোনো ডিভাইস রিসাইকেল করার আগে তাতে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলার জন্য ফ্যাক্টরি রিসেট বা রিস্টোর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন এই বিশেষজ্ঞ।