যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) ভোট জালিয়াতি মোকাবিলার অজুহাতে একটি জাতীয় ভোটার ডেটাবেস তৈরির জন্য ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত অর্থ বরাদ্দের পরিকল্পনা করেছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস (এইচএসআই)-এর জালিয়াতি শনাক্তকরণ ও ডেটা বিশ্লেষণের কাজে সহায়তার জন্য এই ডেটাবেস তৈরি করা হবে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের আওতায় ৫০টি অঙ্গরাজ্য থেকে সর্বজনীন ভোটার নিবন্ধন ফাইল ও ভোট প্রদানের ইতিহাস সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আইস-এর সেকশন চিফ মাইকেল রয়্যার এই চুক্তির দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার তথ্য সংগ্রহের কথা বলা হয়নি, তবে প্রয়োজনে তা সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
এই উদ্যোগটি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে বিচার বিভাগ অঙ্গরাজ্যগুলোর কাছে ভোটার তালিকা চেয়ে ব্যর্থ হয়েছিল। এছাড়া ভোট জালিয়াতি রোধের নামে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং ফেডারেল তহবিল আটকে রাখার হুমকিও দিচ্ছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ।
আইস-এর এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন উইসকনসিনের গভর্নর টনি এভারস। তিনি এটিকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেছেন, ভোট একটি অঙ্গরাজ্যের নিজস্ব বিষয় এবং ফেডারেল সরকারের এতে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। এর আগেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য ও ভোটার ডেটা সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছিল আইস-এর বিরুদ্ধে।