ঢাকাMonday , 10 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

৪২ শীর্ষ ঋণখেলাপির পাচারকৃত সম্পদ উদ্ধারে ৮ আন্তর্জাতিক সংস্থা


August 10, 2026 2:45 am
Link Copied!

বাংলাদেশের ঢাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে দেশের ব্যাংক খাত থেকে পাচার হওয়া হাজার হাজার কোটি টাকা ফেরত আনতে আটটি আন্তর্জাতিক আইনি ও তদন্তকারী সংস্থাকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন, যা দেশের আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা কাটিয়ে ওঠাতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বৈঠক ও কর্মপরিকল্পনা
রবিবার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ৩৮টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা করেন গভর্নর। বৈঠকে যেসব ব্যাংক এখনো আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেনি, তাদের দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার প্রক্রিয়াটি ‘নো উইন, নো পে’ নীতিতে পরিচালিত হবে। অর্থাৎ, বিদেশি সংস্থাগুলো নিজস্ব খরচে আইনি লড়াই চালাবে এবং সম্পদ উদ্ধারের পর সেখান থেকে তারা পারিশ্রমিক পাবে।

যেসব দেশ ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নজর
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, এসবি এক্সিম গ্রুপ, হাবিব গ্রুপ, ইয়াসীর গ্রুপ, এডব্লিউআর গ্রুপ, লিবার্টি গ্রুপসহ ৪২টি প্রতিষ্ঠানের নামে-বেনামে বিপুল অর্থ পাচারের প্রমাণ মিলেছে। এই সম্পদগুলো যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, হংকং, চীন, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াসহ ১২টি দেশে ছড়িয়ে রয়েছে।

উদ্ধার প্রক্রিয়া
নিযুক্ত আটটি সংস্থা হলো গ্র্যান্ট থর্নটন, আরআই কনসোর্টিয়াম, বেকার ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড পিডব্লিউসি, ডিএলএ পাইপার অ্যান্ড ক্রোল, ইওয়াই অ্যান্ড ডেন্টনস, রহমান রাভেলি অ্যান্ড ইন্টারপাথ, বিসিজি অ্যান্ড এইচএইচআর এবং অ্যানিমাস অ্যাসোসিয়েটস। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, প্রথমে সম্পদের অবস্থান নিশ্চিত করে তা জব্দ করা হবে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে সম্পদ বিক্রি বা নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ দেশে ফিরিয়ে এনে খেলাপি ঋণ সমন্বয় করা হবে।

সরকারের অবস্থান
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো একযোগে অর্থ উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে। এর আগে প্রথম ধাপে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পরিবার ও ১০টি বিতর্কিত শিল্প গ্রুপের প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে এনবিআর, সিআইডি ও দুদক। এবার দ্বিতীয় ধাপে এই ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একই ধরনের কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।