ঢাকাThursday , 24 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর চীন বিষয়ক থিংক ট্যাঙ্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা


September 24, 2026 10:00 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ থিংক ট্যাঙ্ক ‘চায়না অ্যারোস্পেস স্টাডিজ ইনস্টিটিউট’ (CASI) বন্ধ হয়ে যাওয়া বা এর ভবিষ্যৎ নিয়ে কয়েকদিন ধরে ব্যাপক বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সব বেসামরিক কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানা যায় যে, বিমান বাহিনী তাদের এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বেসামরিক পদগুলো বিলুপ্ত করার পরিকল্পনা করেছে। এরপর বিমান বাহিনী একটি বিবৃতিতে জানায়, সিএএসআই সামরিক কর্মীদের মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। তবে এর পরপরই সিএএসআই-এর পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়, যা পরে সরিয়ে ফেলা হয়।

বুধবার ব্রেকিং ডিফেন্সের কাছে দেওয়া নতুন বিবৃতিতে বিমান বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, সিএএসআই খোলা থাকবে। মুখপাত্রের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির মিশনে সামরিক ও বেসামরিক কর্মীদের সমন্বয় বজায় রাখা হবে। তবে এই পদকমান কতটুকু কার্যকর হবে তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ব্রেন্ডান মুলভেনি বলেন, সিএএসআই-এর গবেষণার মূল কাজগুলো ১০ সদস্যের বেসামরিক কর্মীদের দ্বারা পরিচালিত হতো, যাদের পদগুলো এখন বাতিল করা হচ্ছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বেসামরিক বিশেষজ্ঞদের ছাড়া মানসম্মত গবেষণা বা অনুবাদ কাজ চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব।

মুলভেনি আরও জানান, পেন্টাগন জুড়ে কর্মী ছাঁটাইয়ের যে প্রক্রিয়া চলছে, তারই অংশ হিসেবে এই বাজেট ও পদ সংকোচন করা হয়েছে। এর সাথে সিএএসআই-এর কাজের মানের কোনো সম্পর্ক নেই। বর্তমানে মার্চ মাস পর্যন্ত কিছু কাজ বাকি থাকলেও এরপর প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এদিকে অন্যান্য সামরিক শাখা যেমন সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর চীন বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোনো পরিবর্তন আসছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। সিএএসআই বন্ধের এই উদ্যোগে প্রতিরক্ষা খাতের অনেক বিশেষজ্ঞই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং একে গবেষণার সক্ষমতা হারানো হিসেবে দেখছেন।