যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম জেডডিনেটের জ্যেষ্ঠ কন্ট্রিবিউটিং এডিটর অ্যাড্রিয়ান কিংসলি-হিউজ স্মার্টফোনের স্টোরেজ কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তার মতে, বর্তমানে স্মার্টফোন কোম্পানিগুলো গ্রাহকদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত স্টোরেজ কিনতে উৎসাহিত করে, যা এক ধরণের বিপণন কৌশল। এই বিষয়টি সাধারণ ব্যবহারকারীদের বুঝতে পারা জরুরি, কারণ অযথা বেশি স্টোরেজের পেছনে অর্থ ব্যয় করে অনেকে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো সাধারণত ফোন বিক্রির পাশাপাশি ক্লাউড স্টোরেজ থেকেও বড় অংকের মুনাফা অর্জন করে। আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় ব্যবহারকারীরা বাধ্য হয়ে বেশি স্টোরেজের ফোন কেনেন অথবা ক্লাউড স্টোরেজের জন্য মাসিক ফি দেন। কিংসলি-হিউজের পরামর্শ হলো, ফোন কেনার সময় গিগাবাইট (GB) অনুযায়ী স্টোরেজ না মেপে, প্রতিটি গিগাবাইটের জন্য কত টাকা খরচ হচ্ছে সেই হিসেব করা।
স্মার্টফোনে স্টোরেজ ব্যবস্থাপনার জন্য বেশ কিছু কার্যকর কৌশলের কথা জানিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে নিয়মিত ফোনের অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বা ছবি ডিলিট করা, স্মার্টফোনের ক্লাউড স্টোরেজ অপ্টিমাইজেশন ফিচার ব্যবহার করা এবং প্রয়োজনে ইউএসবি-সি পোর্টের মাধ্যমে এক্সটারনাল বা বাহ্যিক স্টোরেজ ব্যবহার করা।
এছাড়া চ্যাট অ্যাপগুলোতে অটোমেটিক মিডিয়া ডাউনলোড বন্ধ রাখা এবং বড় ফাইল স্ট্রিম করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। কিংসলি-হিউজের মতে, অনেকেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত স্টোরেজ কিনে অর্থ অপচয় করেন, অথচ সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কম স্টোরেজেই ফোন দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা সম্ভব।