ঢাকাSunday , 23 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

মিল্কিওয়েতে আবিষ্কৃত সবচেয়ে দ্রুতগামী ও নিকটবর্তী নক্ষত্র এস৩০১


August 23, 2026 8:15 am
Link Copied!

জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ফিজিক্সের গবেষকরা মহাকাশের কেন্দ্রে এস৩০১ (S301) নামক একটি নক্ষত্র শনাক্ত করেছেন। এটি মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল স্যাজিটেরিয়াস এ*-এর চারপাশে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে এবং অত্যন্ত কাছে থেকে প্রদক্ষিণ করছে। এই নক্ষত্রটি বিজ্ঞানীদের কাছে এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করা সবচেয়ে দ্রুতগামী মহাজাগতিক বস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গতি ও অবস্থান
গবেষকদের তথ্যমতে, এস৩০১ নক্ষত্রটি প্রতি সেকেন্ডে ১৫,৫০০ মাইল বা ঘণ্টায় প্রায় ৫৫.৮ মিলিয়ন মাইল গতিতে ছুটে চলে। যখন এটি ব্ল্যাক হোলটির খুব কাছে পৌঁছায়, তখন এর গতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় এবং এরপর এটি কক্ষপথে তার দীর্ঘ যাত্রা শুরু করে। আগের রেকর্ডধারী নক্ষত্রগুলোর তুলনায় এটি ১০ গুণ বেশি কাছে থেকে ব্ল্যাক হোলটিকে প্রদক্ষিণ করে।

গবেষণার গুরুত্ব
ব্ল্যাক হোল সরাসরি দেখা সম্ভব নয়, তাই এর প্রভাবগুলো পরিমাপ করেই বিজ্ঞানীরা মহাকাশের এই রহস্যময় বস্তুর প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করেন। এস৩০১ নক্ষত্রটি এতই কাছে যে, এটি ব্ল্যাক হোলের তীব্র মহাকর্ষীয় প্রভাব স্পষ্টভাবে অনুভব করে। গবেষকরা এই নক্ষত্রটি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আলবার্ট আইনস্টাইনের জেনারেল রিলেটিভিটি তত্ত্বের একটি অংশ ‘ফ্রেম-ড্র্যাগিং’ বা লেন্স-থিরিং ইফেক্ট পরীক্ষা করছেন। এই তত্ত্ব অনুসারে, ঘূর্ণায়মান ব্ল্যাক হোল তার চারপাশের স্থান-কালের বুননকেও বাঁকিয়ে দেয়, যা এই নক্ষত্রের ওপর স্পষ্ট প্রভাব ফেলছে।

প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ
এস৩০১ নক্ষত্রটি অত্যন্ত ম্লান, যা বেটেলজিউস নক্ষত্রের চেয়ে প্রায় দুই বিলিয়ন গুণ কম উজ্জ্বল। চিলিতে অবস্থিত ইউরোপিয়ান সাউদার্ন অবজারভেটরির ‘ভেরি লার্জ টেলিস্কোপ’-এর গ্র্যাভিটি ইনস্ট্রুমেন্ট এবং ‘এক্সট্রিমলি লার্জ টেলিস্কোপ’-এর মিকাডো ইনস্ট্রুমেন্ট ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা একে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। আগামী এক দশক ধরে এই নক্ষত্রটির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হবে বলে জানিয়েছেন গবেষক ফেলিক্স ম্যাং ও তার দল।