যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এইচপির নতুন ১৬ ইঞ্চির অমনিবুক ৩ ল্যাপটপটি কম দামে ভালো পারফরম্যান্সের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। প্রযুক্তিসমালোচক আন্তোনিও জি. ডি বেনেদেতোর মতে, বর্তমান বাজারে ৮ জিবি র্যামের দামি ল্যাপটপের তুলনায় ১৬ জিবি র্যামের সাশ্রয়ী ল্যাপটপ কেনা অনেক বেশি যুক্তিযুক্ত। ৫২০ ডলার মূল্যের এই ল্যাপটপটি মূলত তাদের জন্য তৈরি, যারা বাজেটের মধ্যে ভালো কাজের অভিজ্ঞতা চান।
বর্তমানে ল্যাপটপের বাজারে চিপ এবং র্যামের দাম বাড়ার কারণে অনেক নির্মাতা দামি মডেলেও ৮ জিবি র্যাম দিচ্ছে, যা বর্তমান সময়ের অ্যাপগুলো চালানোর জন্য যথেষ্ট নয়। তবে এইচপি তাদের অমনিবুক ৩ মডেলে ১৬ জিবি র্যাম এবং ৫১২ জিবি এসএসডি যুক্ত করে এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠেছে। এতে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন এক্স চিপ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারি সাশ্রয়ী এবং দৈনন্দিন মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য বেশ উপযোগী।
যদিও ল্যাপটপটির নির্মাণে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর স্ক্রিন বা স্পিকারের মান সাধারণ, তবুও এর কার্যক্ষমতা ব্যবহারকারীদের সন্তুষ্ট করবে। পরীক্ষা অনুযায়ী, একাধিক ট্যাব খোলা থাকা বা ভারী কাজ করার সময় ৮ জিবি র্যামের ল্যাপটপগুলো ধীরগতির হয়ে গেলেও, অমনিবুক ৩ মডেলটি সাবলীলভাবে কাজ চালিয়ে নিতে সক্ষম।
এর পাশাপাশি ল্যাপটপটিতে ১২ ঘণ্টার মতো ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া সম্ভব। পোর্ট নির্বাচনেও এইচপি যথেষ্ট নমনীয়তা রেখেছে, যেখানে ইউএসবি-সি এবং ইউএসবি-এ উভয় ধরনের পোর্টই বর্তমান। সব মিলিয়ে বাজেটের মধ্যে একটি কার্যকরী ল্যাপটপ হিসেবে এটি বর্তমান বাজারে একটি ভালো বিকল্প হতে পারে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।