যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে আইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইস-এর কাছে জায়গা ভাড়া দেওয়া স্থানীয় সম্পত্তির মালিকদের বাধা দেওয়ায় বোস্টনের ডেমোক্র্যাট মেয়র মিশেল উ-এর তীব্র সমালোচনা করেছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)। ডিএইচএস মেয়রের এই পদক্ষেপকে ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকদের ‘শিকার করার’ মতো মানসিকতার পরিচয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
আইস সম্প্রতি সারা দেশে ১৪টি শহরের মতো বোস্টনেও তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪৯টি পার্কিং স্পেস ভাড়ার আবেদন জানায়। এর প্রতিক্রিয়ায় মেয়র মিশেল উ পার্কিং গ্যারেজ এবং জমির মালিকদের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি দেন। চিঠিতে তিনি মালিকদের আইস-কে জায়গা ভাড়া দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সাথে, কোনো স্থানীয় প্রতিষ্ঠান আইস-এর সাথে চুক্তি করছে কি না, তা জানার জন্য শহর কর্তৃপক্ষ একটি ফ্রিডম অব ইনফরমেশন অ্যাক্ট (এফওআইএ) আবেদনও দাখিল করেছে।
ডিএইচএস তাদের এক্স হ্যান্ডেলে মেয়রের এই কর্মকাণ্ডকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বা ‘আনহিঞ্জড’ বলে মন্তব্য করেছে। সংস্থাটি জানায়, মেয়রের এসব কাজ ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকদের ভীতি প্রদর্শনের শামিল। ডিএইচএস আরও অভিযোগ করে, আইনের শাসন পালনকারী বোস্টনের বাসিন্দাদের চেয়ে মেয়রের অগ্রাধিকার এখন আইস-এর কার্যক্রমে বাধা দেওয়া।
মেয়র মিশেল উ তার অবস্থানে অনড় থেকে দাবি করেছেন যে, আইস-কে জায়গা ভাড়া দিলে তা জননিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করবে এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাবে। এর আগে, বোস্টন সিটি কাউন্সিলও আইস-এর পার্কিং ইজারা রোধে সব ধরনের আইনি উপায় খোঁজার পক্ষে একটি জরুরি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। তবে ডিএইচএস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ব্যক্তিগত জমিতে কেন্দ্রীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জায়গা দেওয়ার অধিকার মালিকদের রয়েছে এবং মেয়র তাদের এ বিষয়ে বাধ্য করার কোনো আইনগত কর্তৃত্ব রাখেন না।