ঢাকাTuesday , 25 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ডাটা সেন্টারের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে বাড়ছে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র


August 25, 2026 6:45 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রে ডাটা সেন্টারের জন্য গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সংখ্যা গত এক বছরেরও কম সময়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও জ্বালানি ব্যবহারের নতুন সংকট তৈরি করছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল এনার্জি মনিটরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে টেক কোম্পানিগুলো নিজেদের ডাটা সেন্টারের শক্তি জোগাতে ব্যক্তিগত পর্যায়ে জীবাশ্ম জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

গ্লোবাল এনার্জি মনিটরের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ডাটা সেন্টারের জন্য প্রায় ৯৭ গিগাওয়াট গ্যাস বিদ্যুৎ প্রকল্প উন্নয়নের পর্যায়ে ছিল, যা ২০২৪ সালের শুরুর দিকে ছিল মাত্র ৪ গিগাওয়াট। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে এই চাহিদা বেড়ে ১৮৯ গিগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিশ্লেষক জেনি মার্তোস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ অবকাঠামো এখন সরাসরি ডাটা সেন্টারের প্রসারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছে। একটির কথা বললে অন্যটির প্রসঙ্গ চলে আসে।

বিদ্যুৎ গ্রিডের দীর্ঘ সংযোগ সময় এড়াতে এবং খরচ কমাতে ডাটা সেন্টার নির্মাতারা এখন নিজেদের মতো করে ‘বিহাইন্ড-দ্য-মিটার’ বা ব্যক্তিগত বিদ্যুৎ স্থাপনা তৈরিতে ঝুঁকছেন। ট্রাম্প প্রশাসনও মাইক্রোসফট, মেটা, গুগল ও ওপেনএআই-এর মতো কোম্পানিগুলোকে নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ টারবাইন ব্যবহারের ফলে এসব স্থাপনা থেকে প্রচুর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হচ্ছে, যা জলবায়ুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

প্রতিযোগিতা ও তুলনামূলক চিত্র

ডাটা সেন্টার প্রকল্পে গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখন চীনকে ছাড়িয়ে গেছে। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের ফেলো কাইল চ্যান জানান, চীন তাদের ডাটা সেন্টারের শক্তির উৎস হিসেবে সৌর ও জলবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। চীনের সরকার জ্বালানি স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াচ্ছে।

ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

গ্লোবাল এনার্জি মনিটরের মতে, চিহ্নিত সব প্রকল্পই শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। অর্থায়ন সংকট, স্থানীয় জনগণের বিরোধিতা এবং যন্ত্রাংশ সরবরাহের সীমাবদ্ধতার মতো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। তবে জেনি মার্তোস সতর্ক করে বলেছেন, যদি এই প্রকল্পগুলোর অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়, তবে তা কয়েক দশক ধরে উচ্চমাত্রার কার্বন নিঃসরণের ঝুঁকি তৈরি করবে।