যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক পোর্টাল জেডনেট-এর লেখক আরটি বিটি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে জানিয়েছেন, কীভাবে ২২ হাজার ডিজিটাল ছবি গোছানোর কাজটিকে সহজ করা সম্ভব। অসংখ্য অগোছালো ছবি দেখে আতঙ্কিত না হয়ে ধাপে ধাপে কাজ সম্পন্ন করার উপায় বাতলে দিয়েছেন তিনি।
ডিজিটাল ছবির বিশাল ভাণ্ডার সামলানো অনেকের জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে যখন সেই স্মৃতিগুলো শুধু ক্লাউড স্টোরেজেই সীমাবদ্ধ থাকে, তখন সেগুলো সশরীরে খুঁজে পাওয়া বা সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে আরটি বিটি চারটি কার্যকর কৌশল অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রথমত, প্রতিদিনের স্মৃতিগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। গুগল বা অ্যাপল ফটোজের মতো প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন ‘এক বছর আগের আজকের দিন’ বিষয়ক যে নোটিফিকেশন আসে, তা ব্যবহার করে প্রতিদিন অল্প কিছু ছবি বাছাই করে সেগুলোর একটি আলাদা অ্যালবাম তৈরি করা যায়।
দ্বিতীয়ত, একটি ‘ফেভারিটস’ বা পছন্দের তালিকা তৈরির সিস্টেম চালু করা। ফোনের গ্যালারিতে যখনই কোনো ভালো ছবি তোলা হয়, তখনই সেটিকে ‘হার্ট’ বা ‘ফেভারিট’ অপশনে দিয়ে রাখা জরুরি। এতে পরে ছবি প্রিন্ট করতে বসলে অযথা স্ক্রিনশট বা ঝাপসা ছবিগুলো বাদ দেওয়া সহজ হয়।
তৃতীয়ত, বর্তমানে ছবি গোছানোর জন্য অটোমেটেড বা স্বয়ংক্রিয় সেবার ব্যবহার। চ্যাটবুকস বা গুগল ফটোজ প্রিমিয়াম প্রিন্টের মতো সেবাগুলো ব্যবহার করে প্রতি মাসে সেরা ছবিগুলো বাছাই করে ছোট ছোট বই আকারে প্রিন্ট করে নেওয়া সম্ভব। এতে কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।
সবশেষে, পুরো সময়কালকে বছর বা মাস অনুযায়ী ভাগ করে নেওয়ার কৌশল। যেমন, বছরের প্রতিটি মাস ধরে ছবি বাছাই করলে পুরো লাইব্রেরি গুছিয়ে ফেলা দ্রুত ও সহজ হয়। এভাবে নির্দিষ্ট সময় ধরে কাজ করলে দীর্ঘ সময়ের অগোছালো ছবিগুলোও সুশৃঙ্খল করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।