ঢাকাSaturday , 29 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

কিউআর কোড কীভাবে কাজ করে? সাদা-কালো বক্সের পেছনের গোপন রহস্য


August 29, 2026 10:15 am
Link Copied!

তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে কিউআর কোড বা কুইক রেসপন্স কোড এখন অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম। এটি মূলত দ্বিমাত্রিক বা টু-ডি বারকোডের একটি উন্নত সংস্করণ। প্রচলিত বারকোড যেখানে একদিকে তথ্য সংরক্ষণ করে, কিউআর কোড সেখানে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে অনেক বেশি ডেটা ধারণ করতে সক্ষম।

কিউআর কোডের গঠন ও কার্যপদ্ধতি
কিউআর কোডের ভেতরে থাকা ছোট ছোট কালো-সাদা ঘরগুলোকে বলা হয় মডিউল। এই কোডের তিনটি কোণে থাকা বড় বর্গাকার চিহ্নগুলো ‘পজিশন মার্কার’ হিসেবে কাজ করে, যা স্ক্যানারকে কোডের সঠিক দিক ও অবস্থান বুঝতে সাহায্য করে। এছাড়া টাইমিং প্যাটার্ন ও ডাটা এরিয়া নামক নির্দিষ্ট অংশে ডিজিটাল তথ্য জমা থাকে।

ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়া
কোনো লেখা বা লিংক সরাসরি কিউআর কোডে থাকে না। কম্পিউটার এই তথ্যকে বাইনারি অর্থাৎ ০ এবং ১ পদ্ধতিতে রূপান্তর করে। পরবর্তীতে সেই বাইনারি কোডকে নির্দিষ্ট নিয়মে কালো ও সাদা মডিউলের প্যাটার্নে সাজিয়ে তোলা হয়। স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করার সময় সফটওয়্যার এই প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে পুনরায় ডেটা উদ্ধার করে এবং তা আমাদের সামনে দৃশ্যমান করে।

কেন কিউআর কোড নষ্ট হলেও কাজ করে?
কিউআর কোডের একটি বড় সুবিধা হলো এর ‘ইরোর কারেকশন’ সক্ষমতা। কোডের কোনো অংশ ছিঁড়ে বা দাগ পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এর সাথে থাকা অতিরিক্ত ডেটার সাহায্যে হারানো তথ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

ধারণক্ষমতা ও বহুমুখী ব্যবহার
কিউআর কোডের আকার ও সেটিংসের ওপর নির্ভর করে এর ধারণক্ষমতা। সর্বোচ্চ আকারে একটি কোডে প্রায় ৭ হাজার সংখ্যাসূচক অক্ষর বা ৪ হাজার ক্যারেক্টার পর্যন্ত তথ্য রাখা যায়। বর্তমানে ডিজিটাল পেমেন্ট, রেস্তোরাঁর মেনু, পণ্যের তথ্য, ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড শেয়ারিং এবং বিভিন্ন প্রচারমূলক কাজে কিউআর কোডের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।