রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২০ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাইয়ুম মিয়া বাদী হয়ে নগরীর মতিহার থানায় এ মামলাটি করেন। মামলায় প্রায় ৬৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ২৩ জুলাই কেন্দ্রীয়ভাবে সরকারি চাকরির কোটা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও রাজশাহীর পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। ওইদিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মেসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশি এবং মামলা দায়েরের ঘটনা ছিল আলোচনার কেন্দ্রে।
মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সালাউদ্দিন আম্মার, তোফায়েল আহমেদ তপু, ফজলে রাব্বি, মাহাদী হাসান মাহির, মাহাদী হাসান মারুফ, মেহেদী হাসান সজিব, আশিকুল্লাহ মুহিব, শাহ পরান, দেওয়ান বাঁধন, তানভীর আহম্মেদ রিদম, মনিমুল হক, আবুল কালাম, আব্দুল্লাহ আল মেহেদি, আল মুহি ফেরদৌস, শাহরিয়ার পলাশ, আনারুল, নাইম, হাসিবুল, হাবিবুর, আশিকুর রহমান ও শাহরিয়ার আহমেদসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেকে।
ওই সময়ে সারাদেশে ষষ্ঠ দিনের মতো ইন্টারনেট সেবা প্রায় বন্ধ ছিল। রাজশাহী মহানগরীতে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল দিলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছিল। গ্রেফতার ও মামলার ভয়ে অনেক শিক্ষার্থী মেস ছেড়ে বাড়ি ফিরে যান।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ইন্টারনেট সচল করা, কারফিউ প্রত্যাহার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরিয়ে নেওয়া এবং আবাসিক হল খুলে দেওয়াসহ চার দফা দাবি জানিয়ে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়।