যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম জেডডিএনইটি-এর জ্যেষ্ঠ অবদানকারী সম্পাদক কেরি ওয়ান জানিয়েছেন, গুগল পিক্সেল ১১ স্মার্টফোনটি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা তার জেমিনাই (Gemini) এআই প্রযুক্তি সম্পর্কে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। গুগল এই বছর তাদের বেস মডেলের পিক্সেল ফোনে এমন কিছু স্মার্ট ফিচার যুক্ত করেছে, যা একে এই সিরিজের অন্যান্য ফোনের চেয়ে অনন্য করে তুলেছে।
ডিজাইনের ক্ষেত্রে পিক্সেল ১১-এ তেমন বড় কোনো পরিবর্তন না থাকলেও এর নতুন হিবিস্কাস রঙটি বেশ আকর্ষণীয়। ৬.৩ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং মসৃণ গ্লাস বডি ডিভাইসটিকে হাতে ধরে রাখতে সুবিধাজনক করেছে। বিশেষ করে আগের বছরের তুলনায় এর ক্যামেরা বারটি আকারে প্রায় অর্ধেক করা হয়েছে, যা ডিভাইসটিকে আরও পাতলা ও স্লিম লুক দিয়েছে।
পারফরম্যান্সের দিক থেকে ফোনটি নতুন টেন্সর জি৬ প্রসেসর এবং অ্যান্ড্রয়েড ১৭ অপারেটিং সিস্টেমে চলছে। কেরি ওয়ান জানান, দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি প্রো মডেলগুলোর সমতুল্য পারফরম্যান্স দেয়। বিশেষ করে নতুন ‘র্যাম্বলার’ ফিচারটি ব্যবহার করে ভয়েস ডিক্টেশনের মাধ্যমে টেক্সট মেসেজ পাঠানো এখন অনেক বেশি সহজ ও নির্ভুল হয়েছে। এ ছাড়া ‘ম্যাজিক ক্যাপচার’ ফিচারটি ভিডিও ধারণের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানসম্মত স্থিরচিত্র তুলতে সাহায্য করে, যা একজন ফটোগ্রাফি সহকারীর মতো কাজ করে।
যদিও পিক্সেল ১১-এর প্রারম্ভিক মূল্য ৮৯৯ ডলারে উন্নীত করা হয়েছে এবং এর ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা বা রিফ্রেশ রেট প্রো মডেলের তুলনায় কিছুটা কম, তবুও সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য এটি একটি কার্যকর ডিভাইস। কেরি ওয়ানের মতে, যারা প্রো মডেলের অতিরিক্ত ফিচারগুলোর জন্য বাড়তি খরচ করতে চান না, তাদের জন্য পিক্সেল ১১ একটি নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ পছন্দ হতে পারে। তবে তিনি মনে করেন, ছুটির মৌসুমের বিশেষ অফার বা ট্রেড-ইন ডিলগুলোর জন্য অপেক্ষা করলে এটি সাশ্রয়ী দামে কেনা সম্ভব।