যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আপনার বাড়ির ওয়াই-ফাই সিগন্যাল যেখানে পৌঁছায় না বা দুর্বল থাকে, সেখানে অব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে খুব সহজেই নেটওয়ার্কের আওতা বাড়ানো সম্ভব। নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা রাউটার না কিনে ঘরে থাকা পুরনো ফোনটিকেই এই কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের বিল্ট-ইন হটস্পট ফিচারের মাধ্যমেই এটি সম্ভব। ফোনটি আপনার বর্তমান ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেটিকে একটি নতুন হটস্পট সিগন্যাল হিসেবে পুনরায় সম্প্রচার করবে। এতে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট বা স্মার্ট টিভির মতো ডিভাইসগুলো দুর্বল সিগন্যালের জায়গায়ও ইন্টারনেট সংযোগ পাবে।
সেটআপ প্রক্রিয়া
প্রথমে আপনার পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি চার্জ দিয়ে আপডেট করে নিন। এরপর সেটিংস থেকে আপনার বাড়ির ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত করুন। এরপর সেটিংসের হটস্পট অ্যান্ড টেদারিং অপশনে গিয়ে ওয়াই-ফাই হটস্পট চালু করুন। নিরাপত্তার জন্য হটস্পটের নাম এবং পাসওয়ার্ড সেট করে নিন। যদি সম্ভব হয় ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড নির্বাচন করুন, যা কাছাকাছি থাকা ডিভাইসের পারফরম্যান্স বাড়াতে সাহায্য করবে।
ফোনটিকে আপনার রাউটার এবং সিগন্যালহীন জায়গার মাঝামাঝি কোনো স্থানে রাখতে হবে। চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকায় ফোনটিকে অবশ্যই একটি পাওয়ার আউটলেটের কাছে রাখা জরুরি।
সীমাবদ্ধতা ও সতর্কতা
এই পদ্ধতিটি মূলত একটি সাময়িক সমাধান। বাণিজ্যিক ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার বা মেশ সিস্টেমের মতো গতি ও স্থায়িত্ব আপনি এই পদ্ধতিতে পাবেন না। এছাড়া স্মার্ট হোম ডিভাইসের ক্ষেত্রে এটি সবসময় নির্ভরযোগ্য নাও হতে পারে, কারণ ফোনটি একটি আলাদা নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এটি মূলত খরচ না করে দ্রুত দুর্বল নেটওয়ার্কের সমস্যা কাটিয়ে ওঠার একটি কার্যকর বিকল্প উপায় মাত্র।