যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানায় সাউথ-ইস্টার্ন কনফারেন্স (এসইসি) কর্তৃক এলএসইউ-এর সদস্যপদ বাতিলের বিষয়টি এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কনফারেন্সের শীর্ষ কর্মকর্তারা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ সভায় মিলিত হবেন, যেখানে এলএসইউ-কে বহিষ্কারের বিষয়ে চূড়ান্ত ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হবে। এলএসইউ ফুটবল দলের প্রধান কোচ লেন কিফিনের স্বেচ্ছাচারী আচরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণের অভাবের অভিযোগেই এই কঠিন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে এসইসি।
বিতর্কের সূত্রপাত গত সপ্তাহে বাটন রুজের একটি আদালতে, যেখানে এনএফএল অভিজ্ঞতা সম্পন্ন খেলোয়াড়দের কলেজ ফুটবল দলে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হয়। এসইসি কমিশনার গ্রেগ স্যাঙ্কি এই বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং কনফারেন্সটি এলএসইউ, কোচ লেন কিফিন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফেডারেল মামলা দায়ের করেছে। এসইসির অভিযোগ, এলএসইউ কর্তৃপক্ষ তাদের ফুটবল প্রোগ্রাম পরিচালনায় কিফিনের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছে না।
এসইসির নতুন আইনি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৪ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে কনফারেন্সের প্রেসিডেন্ট ও চ্যান্সেলররা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, এলএসইউ তাদের কোচকে নিয়মবহির্ভূত কাজে বাধা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। কিফিনের সাম্প্রতিক বিভিন্ন মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড কনফারেন্সের নিয়মের পরিপন্থী।
যদিও এলএসইউ-কে বহিষ্কারের সম্ভাবনাকে অনেকে ক্ষীণ বলে মনে করছেন, তবুও এসইসি জানিয়েছে যে তাদের সংবিধান অনুযায়ী দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেলে এলএসইউ-এর সদস্যপদ বাতিল করা সম্ভব। এলএসইউ কর্তৃপক্ষ কিফিনের কর্মকাণ্ডের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ না রাখায় এবং কনফারেন্সের নীতিমালার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন এসইসি নীতিনির্ধারকরা।