ঢাকাThursday , 15 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী কবর ও ভাস্কর্যসহ জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের যাত্রা শুরু

Truth Post
August 5, 2026 11:00 pm
Link Copied!

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ এখন ‘জুলাই ৩৬ গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই জাদুঘরের উদ্বোধন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ভবনটি স্মৃতিস্তম্ভে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরটি উন্মুক্ত থাকবে।

জাদুঘর চত্বরে প্রবেশ করলে দর্শনার্থীরা ‘গণতন্ত্রের পথে দীর্ঘ যাত্রা’ শীর্ষক একটি দীর্ঘ প্যানেল দেখতে পাবেন, যেখানে স্বাধীনতার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। জাদুঘরের দক্ষিণ অংশে সবুজ মাঠের ওপর তৈরি করা হয়েছে ‘জুলাই মেমোরিয়াল’। সাদা মার্বেল পাথরে খোদাই করা হয়েছে শেখ হাসিনার শাসনামলে নিহত প্রায় চার হাজার ব্যক্তির নাম। মাঠের বিভিন্ন স্থানে রিকশার ওপর গুলিবিদ্ধ লাশ, সাইকেল আরোহী ছাত্রীসহ অভ্যুত্থানের বিভিন্ন ঘটনার ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া পিলখানা হত্যাকাণ্ড, গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মারক এবং ‘আয়নাঘর’-এর আদলে একটি প্রতীকী বন্দিশালাও রাখা হয়েছে।

মূল জাদুঘর ভবনটির নিচতলায় ফ্যাসিবাদী শাসনামলের দুর্নীতি ও নির্যাতনের তথ্য-উপাত্ত প্রদর্শিত হচ্ছে। এখানে শাপলা চত্বর ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নথিপত্র এবং গুম-খুনের নির্যাতনের যন্ত্রপাতির নিদর্শন রয়েছে। এছাড়া গণভবনের যে কক্ষে শেখ হাসিনা সভা করতেন, সেই কক্ষের মেঝে কাচ দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, যাতে গণ-অভ্যুত্থানের সময় ভবনটির ভাঙচুরের চিহ্নগুলো অক্ষত থাকে।

দোতলা ভবনটি মূলত জুলাই আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে। এখানে ৫০০ শহীদের ব্যবহৃত পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রী প্রদর্শিত হচ্ছে। এছাড়া ইমার্সিভ প্রজেক্ট কক্ষটিতে ডিজিটাল পর্দার মাধ্যমে ৩৬০ ডিগ্রি কোণে আন্দোলনের দৃশ্য দেখানো হয়। সীমিত জায়গা বিবেচনায় দর্শনার্থীদের জন্য তিনটি পর্বে প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বড়দের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২০ টাকা টিকিটের বিনিময়ে জাদুঘরটিতে প্রবেশ করা যাবে।