যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপের হেপ্টাথলন ইভেন্টের প্রথম দিনে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে ব্যর্থ হয়েছেন গ্রেট ব্রিটেনের ক্যাটরিনা জনসন-থম্পসন। ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন প্রতিযোগিতার বাইরে থাকা এই অ্যাথলেট জানিয়েছেন, পুরোপুরি ফিট হয়ে মাঠে নামার জন্য তাকে কঠোর লড়াই করতে হয়েছে। এই চ্যাম্পিয়নশিপে তার অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় চোটের সাথে লড়াই করার পর এটি তার বড় কোনো টুর্নামেন্টে ফিরে আসার লড়াই।
দীর্ঘদিনের ইনজুরি ও পর্যাপ্ত অনুশীলনের অভাবে প্রথম দিন শেষে জনসন-থম্পসন ১৬তম অবস্থানে রয়েছেন। তালিকার শীর্ষে থাকা পোল্যান্ডের আদ্রিয়ানা সুলেক-শুবের্টের চেয়ে তিনি ৩২৪ পয়েন্টে পিছিয়ে আছেন। টুর্নামেন্টের প্রথম দিন তিনি ১০০ মিটার হার্ডলসে ১৫তম স্থান অর্জন করেন এবং হাই জাম্পে ১.৮৩ মিটার উচ্চতা অতিক্রম করে ১০ম স্থানে উঠে আসেন। তবে শট পুটে ১২.৭৯ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করায় তিনি ১৫তম স্থানে নেমে যান। দিনের শেষ ইভেন্ট ২০০ মিটার স্প্রিন্টে তিনি সবার পেছনে থেকে দৌড় শেষ করেন।
নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে জনসন-থম্পসন জানান, চলতি মৌসুমটি তার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে উপস্থিত থাকতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি আরও বলেন, আমি নিজের প্রতি ও নিজের প্রতিভার ওপর বিশ্বাস রাখি, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ পাইনি।
প্রাক্তন অলিম্পিক লং জাম্প চ্যাম্পিয়ন গ্রেগ রাদারফোর্ড মনে করেন, জনসন-থম্পসন এখন পদকের চাপ নিয়ে খেলছেন না, বরং খেলাটি উপভোগ করছেন। প্রাক্তন হেপ্টাথলন চ্যাম্পিয়ন জেসিকা এনিস-হিলও একই মত প্রকাশ করে জানান, একজন অ্যাথলেটকে প্রায়ই শারীরিক অস্বস্তি নিয়েই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। শনিবার লং জাম্প, জ্যাভলিন ও ৮০০ মিটার দৌড়ের মধ্য দিয়ে হেপ্টাথলনের চূড়ান্ত ফল নির্ধারিত হবে।