পোল্যান্ডের রোক্লোতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্থায়ী প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মাইকেল ক্যারিক নতুন মৌসুমে দলের লক্ষ্য ও খেলোয়াড়দের নিয়ে নিজের পরিকল্পনা পরিষ্কার করেছেন। প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতির পর কোচ ক্যারিক স্বীকার করেছেন যে, দলে নতুনদের আগমন ইতিবাচক হলেও স্কোয়াডে এখনও কিছু অমিমাংসিত সমস্যা রয়েছে যা নিয়ে কাজ করা জরুরি।
প্রাক-মৌসুমের ইতিবাচক দিক
পাঁচ সপ্তাহে ছয়টি ম্যাচ খেলেছে ইউনাইটেড। নতুন মিডফিল্ডার আন্দ্রে সান্তোস নিজের সামর্থ্য ও পজিশনাল ডিসিপ্লিন দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেছেন। চেলসি থেকে আসা এই তরুণ খেলোয়াড় প্রতিটি ম্যাচেই শুরু থেকে খেলেছেন। এছাড়া ইউরি টিলেমানসের আত্মবিশ্বাস ও ব্রুনো ফার্নান্দেজের সঙ্গে তার বোঝাপড়া দলের মিডফিল্ডে নতুন শক্তি যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে। রক্ষণভাগে লেনি ইয়োরোর পারফরম্যান্সও কোচিং স্টাফদের নজর কেড়েছে।
স্কোয়াডের সমস্যা ও উদ্বেগ
কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও গোলরক্ষক কার্ল ডারলো এবং স্ট্রাইকার বেঞ্জামিন সেসকো দলের সাথে সেভাবে যুক্ত হতে পারেননি। চোটের কারণে ম্যাসন মাউন্ট দলের বাইরে থাকায় মিডফিল্ডের গভীরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া টবি কলিয়ার এবং হ্যারি আমাসের মতো খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা আছে, যাদের লোন বা অন্য কোথাও পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে জশুয়া জিরকজির ধারাবাহিকতার অভাব এবং মার্কাস র্যাশফোর্ডের ভবিষ্যৎ ক্লাবটির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
নতুন মৌসুমে শুরুটা সহজ হলেও লিগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় লেফট-ব্যাক পজিশনে বিকল্প খেলোয়াড় পাওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। লুক শ’র ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে কোচ নতুন খেলোয়াড় খুঁজছেন। কোচ ক্যারিক স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, বাস্তববাদী হতে হবে এবং দ্রুত স্কোয়াডের ঘাটতিগুলো পূরণ করতে হবে যাতে আসন্ন প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ব্যস্ত সূচিতে দল বড় কোনো বিপদে না পড়ে।