যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, বাইপোলার ১ ও বাইপোলার ২ ডিসঅর্ডারের মধ্যে লক্ষণ ও তীব্রতার দিক থেকে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে যা রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাইপোলার ডিসঅর্ডার মূলত এমন এক মানসিক অবস্থা যা একজন ব্যক্তির মেজাজ বা মুডের চরম পরিবর্তনের কারণ হয়।
বাইপোলার ১ ডিসঅর্ডার
এই ধরনের ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তির ম্যানিক বা অতি-উচ্ছ্বাস পর্বের তীব্রতা অনেক বেশি হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, এই অবস্থায় আক্রান্ত ব্যক্তি অন্তত সাত দিন ধরে চরম উত্তেজনা বা অস্বাভাবিক উদ্দীপনায় ভোগেন। অনেক সময় তাদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতার পর্বও এর সঙ্গে যুক্ত থাকে।
বাইপোলার ২ ডিসঅর্ডার
বাইপোলার ২ ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হাইপোম্যানিয়া নামক তুলনামূলক কম তীব্র মেজাজের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যান। এটি বাইপোলার ১-এর ম্যানিক পর্বের চেয়ে হালকা এবং সাধারণত হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় না। তবে এই রোগীদের ক্ষেত্রে বিষণ্নতার পর্বগুলো অনেক বেশি সময় ধরে স্থায়ী হতে পারে, যা দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
কেন পার্থক্য জানা জরুরি
দুই ধরনের ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্ন। ভুল রোগ নির্ণয় বা ভুল চিকিৎসার ফলে রোগীর অবস্থা আরও জটিল হতে পারে। তাই সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য অভিজ্ঞ মনোচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।