যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ফ্র্যাটার্নিটিগুলোতে কোকেন পাচারের একটি বড় নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়ার পর এর দায়ভার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পেনসিলভানিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ডেভ সানডে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত শিক্ষার্থী ও ফ্র্যাটার্নিটিগুলোকে ব্যবহার করে এই পাচার চক্র চালানো হতো, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।
তদন্তে জানা গেছে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই মাদক ব্যবসা পরিচালিত হয়েছে। প্রতি দুই মাসে প্রায় এক কেজি কোকেন পাচার করা হতো। চক্রটির নেতৃত্ব দিতেন ২৪ বছর বয়সী আগোস্টিনো আবাটিেলো এবং ২৩ বছর বয়সী থমাস রবিনসন। তারা ফিলাডেলফিয়া এবং নিউ ইয়র্ক থেকে মাদক সংগ্রহ করে স্ন্যাপচ্যাট ও ভেনম অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেন করতেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল ডেভ সানডে জানিয়েছেন, ডেল্টা ইপসিলন এবং সিগমা চি ফ্র্যাটার্নিটির নতুন সদস্যদের র্যাগিং বা দীক্ষার নামে কোকেন প্যাকেট করার কাজে বাধ্য করা হতো। তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানো হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ডেল্টা ইপসিলনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে। তবে সিগমা চি ফ্র্যাটার্নিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন নয় বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তে সহযোগিতা করছে এবং আশা করা হচ্ছে যে, এই ধরনের সমস্যা সমাধানে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।