যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম জেডডিএনইটি (ZDNET)-এর স্টাফ রাইটার মারিয়া ডিয়াজ সম্প্রতি টিসিএল নেক্সটপেপার ১১ প্লাস (TCL Nxtpaper 11 Plus) ট্যাবলেটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। ২২০ ডলার মূল্যের এই ট্যাবলেটটি আইপ্যাড ও কিন্ডলের জায়গা নিতে সক্ষম বলে তিনি উল্লেখ করেন। ল্যাবর ডে উপলক্ষে বিশেষ ছাড়ের আওতায় এই ডিভাইসটি বর্তমান বাজারে সাধারণ মানুষের জন্য একটি কার্যকর প্রযুক্তিপণ্য হিসেবে উঠে এসেছে।
কেন টিসিএল আলাদা
মারিয়া ডিয়াজের মতে, এই ট্যাবলেটটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ডিসপ্লে প্রযুক্তি। ব্যবহারকারীরা চাইলে একটি বাটনের মাধ্যমেই রঙিন মোড থেকে একে ই-ইঙ্ক (E-Ink) মোডে রূপান্তর করতে পারেন। এর ফলে এটি একইসাথে বিনোদনের ডিভাইস এবং পড়াশোনা বা কাজের জন্য ডিজিটাল নোটবুক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। ১১.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই ট্যাবলেটে রয়েছে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট, যা গেমিং বা ভারী অ্যাপ ব্যবহারের সময় অত্যন্ত সাবলীল অভিজ্ঞতা দেয়।
পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতা
যদিও অনেক ব্যবহারকারী আইপ্যাডের পারফরম্যান্সের ওপর আস্থা রাখেন, কিন্তু মারিয়া ডিয়াজ জানিয়েছেন যে নিয়মিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে টিসিএল-এর এই ট্যাবলেটটি তাকে হতাশ করেনি। এমটিকে হেলিও জি১০০ প্রসেসর এবং ৮ জিবি র্যাম সমৃদ্ধ এই ডিভাইসটি মাইনক্রাফটের মতো গ্রাফিকস নির্ভর গেমগুলো কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই চালাতে সক্ষম। ম্যাট ডিসপ্লে হওয়ার কারণে দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের পরও চোখের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না, যা কিন্ডলের বিকল্প হিসেবে এটিকে পাঠকবান্ধব করে তুলেছে।
কারিগরি সক্ষমতা
২.২কে রেজোলিউশনের এই ট্যাবলেটে ৮০০০ এমএএইচ ব্যাটারি রয়েছে, যা দীর্ঘসময় ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। এতে ৩৩ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং, ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ও রিয়ার ক্যামেরা এবং ২৫৬ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা রয়েছে। সাধারণত ২৮০ ডলার মূল্যের এই ট্যাবলেটটি বর্তমানে ডিসকাউন্টে ২২০ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে, যা একে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সাশ্রয়ী ও শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।