ঢাকাFriday , 28 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ব্রডব্যান্ডের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য থেকে সরে এল যুক্তরাষ্ট্রের এফসিসি


August 28, 2026 7:45 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) ব্রডব্যান্ড সেবার প্রসারে তাদের সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা বাতিল করেছে। ১৪ আগস্ট প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এফসিসি জানিয়েছে, তারা আর প্রতিটি আমেরিকানের কাছে গিগাবিট-গতির ইন্টারনেট পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে না। সংস্থাটির চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কারের নেতৃত্বাধীন নতুন এই সিদ্ধান্তটি আগের প্রশাসনের নীতির বিপরীতে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এফসিসি তাদের নতুন প্রতিবেদনে ব্রডব্যান্ডকে ‘অবশ্যই প্রয়োজনীয়’ না বলে ‘প্রায়শই প্রয়োজনীয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির টেলিযোগাযোগ বিষয়ের অধ্যাপক ক্রিস্টোফার আলি বলেন, ‘প্রায়শই’ শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে এফসিসি বুঝিয়ে দিয়েছে যে, ব্রডব্যান্ড এখন আর পাঁচ বছর আগের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়।

এফসিসি দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৯৬.৯ শতাংশ মানুষ এখন ১০০ এমবিপিএস ডাউনলোড এবং ২০ এমবিপিএস আপলোড গতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে। সংস্থাটি বলছে, গিগাবিট গতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করাটা প্রযুক্তিগত নিরপেক্ষতার পরিপন্থী। তাদের যুক্তি, ব্যক্তিগত খাতের প্রতিযোগিতার ওপরই প্রযুক্তির উন্নয়ন ছেড়ে দেওয়া উচিত।

তবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন এফসিসির একমাত্র ডেমোক্রেট কমিশনার আনা গোমেজ। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত মান কমিয়ে দেওয়া মানেই নিরপেক্ষতা নয়; বরং সেরা প্রযুক্তিকে সমর্থন করাই ছিল এফসিসির লক্ষ্য। সমালোচকদের মতে, এই পরিবর্তনের ফলে স্টারলিংকের মতো স্যাটেলাইট সেবার ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা ফাইবার অপটিক্সের মতো ভবিষ্যতে কার্যকর প্রযুক্তির প্রসারে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টিকেও প্রতিবেদনে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। ডিজিটাল ইনক্লুশন অ্যালায়েন্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যাঞ্জেলা সিফার বলেন, ইন্টারনেটের উচ্চ মূল্যই অনেক মানুষের সংযোগ না থাকার মূল কারণ, কিন্তু এফসিসি এখন সেটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। নতুন এই নীতি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে দীর্ঘমেয়াদে ধীরগতির ইন্টারনেটে আটকে রাখতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।