যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস সীমান্তের কাছে তিনটি শত্রুপক্ষীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাউদার্ন বর্ডার টাস্ক ফোর্স। জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স-সাউদার্ন বর্ডার (জেটিএফ-এসবি)-এর কমান্ডার মেজর জেনারেল কার্টিস টেলর জানিয়েছেন, সামরিক সদস্য ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানো এই ড্রোনগুলোকে অ্যারোভায়রনমেন্টের তৈরি ‘আর্মি মাল্টিপারপাস হাই এনার্জি লেজার’ (এএমপি-এইচইএল) সিস্টেম ব্যবহার করে অকার্যকর করা হয়েছে। সীমান্তে অবৈধ চোরাচালান ও নজরদারির কাজে ড্রোনগুলোর ব্যবহার ড্রোনবিধ্বংসী প্রযুক্তি পরীক্ষার গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে।
অপারেশনের বিবরণ
টাস্ক ফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ড্রোনগুলো শারীরিক হুমকির সৃষ্টি করছিল এবং ধারণা করা হচ্ছে এগুলো মাদক কার্টেলগুলো নজরদারির কাজে ব্যবহার করছিল। তবে ঠিক কোন স্থানে বা কাদের মাধ্যমে এই ড্রোনগুলো পরিচালিত হচ্ছিল, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি। এটি ছিল পেন্টাগনের একটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম, যার মাধ্যমে সীমান্তে নতুন প্রযুক্তির কার্যকারিতা যাচাই করা হচ্ছে।
প্রযুক্তির ব্যবহার
অ্যারোভায়রনমেন্টের একটি মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন যে, সামরিক বাহিনী তাদের তৈরি নন-কাইনেটিক কাউন্টার ড্রোন সিস্টেম ব্যবহার করেছে। এই প্রযুক্তিটি মূলত আর্মি মাল্টিপারপাস হাই এনার্জি লেজার প্রোগ্রামের অংশ। গত ডিসেম্বরে মার্কিন সেনাবাহিনীর কাছে এই ধরনের প্রযুক্তির প্রোটোটাইপ সরবরাহ করা হয়েছিল।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনী দক্ষিণ সীমান্তকে নতুন ড্রোনবিধ্বংসী প্রযুক্তি পরীক্ষার একটি ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। জয়েন্ট ইন্টারএজেন্সি টাস্কফোর্স ৪০১-এর সহযোগিতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি না করে কম খরচে শত্রু ড্রোন ধ্বংস করার সক্ষমতা অর্জন করা। কার্টিস টেলর স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, সীমান্তে কোনো ধরনের বৈরী নজরদারি সহ্য করা হবে না।