যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিএসিতে নির্বাচনে মেইল-ইন ব্যালট বা ডাকযোগে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা। প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য লরেল লি এবং সিনেটর অ্যাশলি মুডি এই নতুন আইনের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, ভোটের ফলাফল দ্রুত নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত এই আইন অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার আগেই সব মেইল-ইন বা অনুপস্থিত ভোটারের ব্যালট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে। ফ্লোরিডার নির্বাচনী মডেল অনুসরণ করে এই নিয়ম করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রিপাবলিকান প্রতিনিধি লরেল লি।
লরেল লি বলেন, ফ্লোরিডায় দীর্ঘ সময় ধরে এই ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে এবং এটি একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ পদ্ধতি। এতে নির্বাচনী কার্যক্রম সুশৃঙ্খল থাকে এবং সময়মতো ফলাফল পাওয়া যায়। তিনি আরও জানান, এই আইন ভোটারদের ভোটাধিকার খর্ব করবে না, বরং তাদের সময়সীমা সম্পর্কে সচেতন করবে।
সিনেটর অ্যাশলি মুডি জানান, ভোটের কয়েক দিন পর পর্যন্ত ব্যালট আসার বিষয়টি বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই এই নতুন আইন ভোটের ফলাফল দ্রুত নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভোটার ডাকযোগে ভোট প্রদান করেন। তাই এই প্রস্তাব পাস হলে তা লাখ লাখ আমেরিকানের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
এদিকে মেইল-ইন ভোটিং নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশ নিয়ে বর্তমানে দেশটিতে আইনি লড়াই চলছে। এর পাশাপাশি রিপাবলিকানদের নতুন এই প্রস্তাব কংগ্রেসের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। দেশটির অনেক রিপাবলিকান নেতাও ডাকযোগে ভোট প্রদানের বর্তমান ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন।