যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বিনোদনমূলক খবরের জন্য পরিচিত সংবাদমাধ্যম টিএমজেড আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন ব্যুরো চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সাংবাদিক চার্লি কটন ও জ্যাকব ওয়াসারম্যান এখন কংগ্রেসের সদস্যদের ঘিরে নানা ধরনের তথ্য ও ভিডিও চিত্র ধারণ করছেন। মূলত রাজনীতিতে অনাগ্রহী পাঠকদের আকৃষ্ট করতেই তারা এই নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।
টিএমজেডের এই নতুন কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হলো কংগ্রেসের সদস্যদের ব্যক্তিগত জীবন এবং তাদের কর্মকাণ্ডকে সাধারণ মানুষের কাছে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা। সাংবাদিক চার্লি কটন জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের রাজনীতি অনেকটা রিয়েলিটি শোর মতো, যেখানে বিনোদন ও তথ্যের সমন্বয় ঘটানো সম্ভব।
টিএমজেড তাদের ওয়াশিংটন যাত্রা শুরু করে গত এপ্রিলে। এর আগে কংগ্রেস সদস্যদের ব্যক্তিগত সফরের ছবি প্রকাশ করে তারা নজরে আসে। বর্তমানে তারা আইনপ্রণেতাদের সাথে খোলামেলা ও রসাত্মক প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও কাজ করছে। টিএমজেডের মতে, এর ফলে সাধারণ মানুষ রাজনীতি সম্পর্কে নতুনভাবে কৌতূহলী হয়ে উঠবে।
আইনপ্রণেতাদের অনেকেই টিএমজেডের এই নতুন ধরনের সাংবাদিকতাকে ইতিবাচকভাবে নিচ্ছেন। রিপাবলিকান প্রতিনিধি লরেন বোয়েবার্ট থেকে শুরু করে ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জন অসফ পর্যন্ত অনেকেই তাদের ক্যামেরার সামনে কথা বলেছেন। তবে সিনেট মাইনরিটি লিডার চাক শুমারের মতো অনেকে তাদের প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন।
সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটির পপ কালচার বিশেষজ্ঞ রবার্ট থম্পসন মনে করেন, সংবাদমাধ্যমের ওপর মানুষের আস্থা যখন কমছে, তখন টিএমজেডের এই ব্যতিক্রমী প্রচেষ্টা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। টিএমজেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিনোদনের পাশাপাশি তারা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংবাদের বড় ব্রেকিং নিউজগুলোও প্রকাশ করতে চায়।