যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি লেখক কেরি ওয়ান দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় টি-মোবাইলের গ্রাহক থাকার পর মিন্ট মোবাইলে নিজের সংযোগ স্থানান্তর করেছেন। তার মতে, বড় টেলিকম কোম্পানিগুলোর লুকানো খরচ, অস্বচ্ছ সার্ভিস চার্জ এবং সাম্প্রতিক নেটওয়ার্ক বিভ্রাটই তাকে এই পরিবর্তনের দিকে ধাবিত করেছে। খরচ কমানোর পাশাপাশি আরও সাশ্রয়ী সেবা নিশ্চিত করতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
কেন এই পরিবর্তন
কেরি ওয়ান জানান, টি-মোবাইলের পক্ষ থেকে তাকে দীর্ঘদিনের পুরনো প্যাকেজ থেকে নতুন ও ব্যয়বহুল ‘এক্সপেরিয়েন্স মোর’ প্ল্যানে স্থানান্তরিত করার চাপ দেওয়া হয়। এতে মাসিক খরচ ৮০ ডলার থেকে বেড়ে ১৪০ ডলারে পৌঁছায়। অথচ তিনি অধিকাংশ সময় ওয়াইফাই ব্যবহার করেন, ফলে বাড়তি এই খরচের বিপরীতে পাওয়া সুযোগ-সুবিধাগুলো তার কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। এছাড়া ডিভাইস কানেকশন চার্জ, পেমেন্ট সাপোর্ট ফি এবং রিস্টকিং ফি’র মতো লুকানো খরচগুলো তার দীর্ঘদিনের আস্থার জায়গাটিকে কমিয়ে দেয়।
সেবা ও সীমাবদ্ধতা
মিন্ট মোবাইলে স্থানান্তরের মূল কারণ হিসেবে তিনি জানান, কোম্পানিটি টি-মোবাইলের একই ৫জি এবং এলটিই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। ফলে নেটওয়ার্কের গুণগত মান একই থাকলেও মাসিক খরচ অনেক কমে এসেছে। তবে ছোট কোম্পানি হওয়ায় মিন্ট মোবাইলের কোনো শারীরিক স্টোর নেই এবং ভিড়ের জায়গায় নেটওয়ার্ক কিছুটা ধীরগতির হতে পারে। কেরি ওয়ান মনে করেন, বড় প্রতিষ্ঠানের বাড়তি খরচের চেয়ে ছোট প্রতিষ্ঠানের এই সামান্য সীমাবদ্ধতাগুলো মেনে নেওয়া অনেক বেশি যুক্তিসঙ্গত।