ঢাকাSunday , 11 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

অফশোর উইন্ড প্রকল্প বাতিলের পেছনে ১.২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় ট্রাম্প প্রশাসনের

International Desk
August 8, 2026 6:00 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্প প্রশাসন জার্মানির জ্বালানি কোম্পানি আরডব্লিউই-এর সাথে অফশোর উইন্ড ফার্ম বা বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের জন্য ১.২ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া এবং লুইজিয়ানার উপকূলীয় বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বন্ধ করে সেই অর্থ জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে স্থানান্তর করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই অর্থের যোগান দেওয়া হচ্ছে, যা মূলত করদাতাদের টাকা।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, আরডব্লিউই কোম্পানি লুইজিয়ানার একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্রকল্পে ৯০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে ১৬ শতাংশ শেয়ার গ্রহণ করবে। এছাড়া, কোম্পানিটি দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৫টি প্রাকৃতিক গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির জন্য ৩০০ মিলিয়ন ডলারের পৃথক চুক্তি করেছে। আরডব্লিউই এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই সেটেলমেন্টের মাধ্যমে তাদের আইনি দাবিগুলোর নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তারা এখন এমন জ্বালানি প্রকল্পে সম্পদ কাজে লাগাতে পারবে যা নিশ্চিতভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

স্বরাষ্ট্র সচিব ডাগ বার্গাম প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার একটি স্বেচ্ছাসেবী বিনিয়োগ বলে অভিহিত করেছেন।

প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য মাইক লেভিন। তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাতিলের জন্য প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। সমালোচকদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ বিল কমার পরিবর্তে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবেশগত ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হবে।

এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন কয়লা ভিত্তিক জ্বালানি প্রকল্পগুলোতে প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এলএনজি প্রকল্পগুলোর পরিবেশ দূষণের ইতিহাস নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত রেখেছে। বিশেষ করে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রতি ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের বিরোধিতা ও ব্যক্তিগত ক্ষোভের বিষয়টিও বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছে।