যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার প্রথম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী শ্যানন টেলর অতীতে উগ্র বামপন্থী প্রসিকিউটরদের আদর্শ এবং বিচার ব্যবস্থায় নমনীয় নীতি সমর্থন করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির মুখপাত্র এমা হল দাবি করেছেন, টেলর তার কর্মজীবনে ব্যক্তিগত আদর্শ ও রাজনীতিকে জননিরাপত্তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
২০১২ সালে হেনরিকো কাউন্টির কমনওয়েলথ অ্যাটর্নি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর টেলর সাতজন প্রসিকিউটরকে চাকরিচ্যুত করেছিলেন। তিনি তখন বলেছিলেন, তার দপ্তরে আরও বৈচিত্র্য বা ডাইভার্সিটি প্রয়োজন। এরপর থেকেই তিনি তার প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে এই আদর্শিক ধারা বজায় রেখেছিলেন।
২০২১ সালে টেলর এবং ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টির প্রসিকিউটর স্টিভ ডেসকানোসহ একশোর বেশি আইনজীবী বাইডেন প্রশাসনের কাছে একটি যৌথ চিঠি দিয়েছিলেন। সেখানে তারা বাধ্যতামূলক সর্বনিম্ন সাজা এবং তিনবার অপরাধের পর কঠোর সাজার আইন (থ্রি-স্ট্রাইক ল) বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছিলেন। এছাড়া তারা অপরাধীদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে নমনীয় ভাষা ব্যবহারের পক্ষে ছিলেন।
শ্যানন টেলরের এই অতীত রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী রিপাবলিকানরা। তারা বলছেন, টেলর একজন প্রসিকিউটর হিসেবে কাজ করার চেয়ে ডাইভার্সিটি, ইক্যুইটি ও ইনক্লুশন (ডিইআই) বিষয়ক পরামর্শদাতা হিসেবে বেশি কাজ করেছেন। তার এই নীতিগুলো ভার্জিনিয়ায় অপরাধ দমনে শিথিলতা তৈরি করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে বর্তমান নির্বাচনী প্রচারণায় শ্যানন টেলর নিজেকে একজন কঠোর আইন প্রয়োগকারী হিসেবেই তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘ চৌদ্দ বছর হেনরিকো কাউন্টির প্রধান প্রসিকিউটর হিসেবে তিনি হাজার হাজার মামলা পরিচালনা করেছেন এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনেছেন। আসন্ন ৩রা নভেম্বর সাধারণ নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী রব উইটম্যানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।