আর্জেন্টিনার রোজারিওতে বাবাকে শেষবারের মতো দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ট লডারডেল থেকে ব্যক্তিগত বিমানে রওনা হয়েছেন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা তার বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর শোকাতুর এই তারকা দ্রুত দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জীবনের কঠিনতম এই সময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে শোক সামাল দেওয়াই এখন তার একমাত্র লক্ষ্য।
বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকেই হোর্হে মেসির শারীরিক অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন ছিল। তাই দলের অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে দেশে না ফিরে মেসি সরাসরি রোজারিও যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পর তিনি ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠের খেলায় মনোনিবেশ করেছিলেন। শুক্রবার নিজের সন্তানের ফুটবল ম্যাচ শেষে স্বাভাবিক থাকার কিছুক্ষণ পরেই তার কাছে বাবার মৃত্যুর দুঃসংবাদটি পৌঁছায়।
মেসির সঙ্গে তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো রয়েছেন। খুব শিগগিরই তার রোজারিওতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। শৈশবের শহর রোজারিওতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হয়ে এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করবেন তিনি।
হোর্হে মেসি কেবল একজন অভিভাবকই ছিলেন না, বরং লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় ভরসাও ছিলেন। বার্সেলোনা থেকে শুরু করে প্যারিস এবং ইন্টার মায়ামি পর্যন্ত প্রতিটি বড় সিদ্ধান্তে তিনি ছেলের ছায়ার মতো পাশে ছিলেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি জীবনের নানা সংকটময় মুহূর্তে হোর্হে ছিলেন মেসির প্রধান নির্ভরতার জায়গা। এখন বাবাকে চিরতরে হারানোর শোক সঙ্গী করেই নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে চলেছেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার।