ইউরোপের প্রতিরক্ষা খাতে ফ্রান্স, জার্মানি ও স্পেনের মধ্যকার এফসিএএস (FCAS) কর্মসূচি ভেস্তে যাওয়ায় মহাদেশটির আকাশসীমায় ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্রেকিং ডিফেন্সের ইউরোপীয় এয়ারপাওয়ার রাউন্ডটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে বিশেষজ্ঞ টিমে মার্টিন, এলিজাবেথ গোসলিন-মালো এবং ডগলাস ব্যারি এই সংকটের সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করেছেন। এই প্রকল্প ব্যর্থ হওয়ার ফলে ইউরোপে ষষ্ঠ প্রজন্মের মানবচালিত যুদ্ধবিমান তৈরির একমাত্র পথ হিসেবে এখন ব্রিটিশ-ইতালি-জাপানের গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম (GCAP) টিকে রয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জিসিপিই একমাত্র বিকল্প নয়। বিদ্যমান যুদ্ধবিমানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে আধুনিকায়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের প্রভাব এখনো বেশ শক্তিশালী। এছাড়া সুইডেনের সাব (Saab) কোম্পানি নতুন কোনো উদ্যোগে যুক্ত হতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
ইউরোপীয় দেশগুলো এখন নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদী আকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল নির্ধারণে বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারকরা এখন নতুন প্রযুক্তির সমন্বয় এবং ড্রোন ও কোলাবোরেটিভ কমব্যাট এয়ারক্রাফটের দিকে নজর দিচ্ছেন।