যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল আনুষ্ঠানিকভাবে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজের ঘোষণা না দিলেও, প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে ফোনটির সম্ভাব্য ১০টি বড় পরিবর্তনের তথ্য উঠে এসেছে। আগামী সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে এই নতুন সিরিজ উন্মোচন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ফোনটির নতুন ফিচার এবং সক্ষমতা সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ।
সম্ভাব্য পরিবর্তনসমূহ
১. বড় ব্যাটারি: আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে আগের চেয়ে ১০ শতাংশ বড় ব্যাটারি ব্যবহার করা হতে পারে, যা দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখতে সক্ষম হবে।
২. নতুন এ২০ প্রো চিপ: প্রসেসিং ক্ষমতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নত করতে ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির এ২০ প্রো চিপ ব্যবহার করা হতে পারে।
৩. ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরায় এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে কম আলোতে ছবি তোলার মান বহুগুণ বাড়বে।
৪. উন্নত টেলিফটো ক্যামেরা: জুম ও লো-লাইট ফটোগ্রাফির সুবিধার্থে টেলিফটো ক্যামেরায় বড় অ্যাপারচার যুক্ত করা হচ্ছে।
৫. ছোট ডায়নামিক আইল্যান্ড: ফেস আইডি প্রযুক্তি ডিসপ্লের নিচে সরিয়ে নেওয়ায় ডায়নামিক আইল্যান্ড আগের চেয়ে ছোট হতে পারে।
৬. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ডিসপ্লে: এলটিপিও প্লাস প্রযুক্তির ডিসপ্লে ব্যবহারের ফলে ব্যাটারি ব্যাকআপ আরও বাড়বে।
৭. নতুন সি২ মডেম: উন্নত ৫জি সংযোগ ও সিগন্যাল পাওয়ার জন্য অ্যাপলের নিজস্ব সি২ মডেম যুক্ত করা হতে পারে।
৮. এন২ ওয়্যারলেস চিপ: ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ সংযোগকে আরও স্থিতিশীল ও উন্নত করতে এই নতুন চিপ ব্যবহার করা হবে।
৯. নতুন রঙ: আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে ডার্ক চেরি, লাইট ব্লু, ডার্ক গ্রে ও সিলভারের মতো নতুন রঙের বিকল্প থাকতে পারে।
১০. ক্যামেরা কন্ট্রোল বাটন: টাচ ফিডব্যাকের পরিবর্তে বাটনটি চাপ দিয়ে নিয়ন্ত্রণের নতুন ব্যবস্থা রাখা হতে পারে।
মূল্য ও অনিশ্চয়তা
ইন্ডিয়া টুডের তথ্যমতে, ভারতে ফোনটির প্রাথমিক দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯০০ রুপি হতে পারে। বাংলাদেশে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে এর দাম ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এসব তথ্য নিশ্চিত করেনি, তাই এগুলোকে প্রযুক্তি খাতের গুঞ্জন হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।