পর্তুগালের মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জের ফুনচালে হাজারো ভক্ত জড়ো হয়েছিলেন তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও তার বাগদত্তা জর্জিনা রদ্রিগেজের বিয়ে দেখার আশায়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান-এর একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভক্তদের ধারণা হয়েছিল, ৮ আগস্ট ফুনচাল ক্যাথেড্রালে রোনালদো ও জর্জিনা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন এবং পরে স্যাভয় প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠান করবেন। তবে শেষ পর্যন্ত জানা যায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওই বিয়ের তথ্যটি সঠিক ছিল না।
বিভ্রান্তির কারণ
রোনালদো ও তার সঙ্গীকে একনজর দেখার প্রত্যাশায় ভক্তরা চার্চ ও হোটেলের সামনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। এ সময় একটি বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক সদ্য বিবাহিত দম্পতিকে বের হতে দেখলে ভিড়ের মধ্যে থাকা অনেকে তাদেরই রোনালদো ভেবে ভুল করেন। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে হোটেলটি রিজার্ভ থাকার খবর প্রকাশিত হওয়ায় ভক্তদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।
আসল ঘটনা
ক্যাথেড্রাল থেকে বের হওয়া ওই দম্পতির পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন ফাবিও সান্তোস রামোস ও ফাতিমা নিকোল কুনহা টেইক্সেইরা, যারা বর্তমানে ফ্রান্সে বসবাস করেন। এই ঘটনার পর ক্যাথেড্রালের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানানো হয়, সাংবাদিক ও উৎসুক জনতাকে সামাল দিতে গিয়ে তাদের হিমশিম খেতে হয়েছে।
প্রতিক্রিয়া
ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা এক অতিথি স্থানীয় সংবাদপত্র দিয়ারিও দে নোতিসিয়াস দা মাদেইরাকে জানান, পুরো বিষয়টি তাদের কাছে অদ্ভুত মনে হয়েছে। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ভক্তরা কীভাবে বিশ্বাস করল যে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই রোনালদো বিয়ে করতে পারেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমের ভুয়া তথ্যের কারণেই এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।