যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের নতুন প্রজন্মের হেলিকপ্টার পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য এম১ সাপোর্ট সার্ভিসেসকে দায়িত্ব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। টেক্সাসভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি সেনাবাহিনীর ‘ফ্লাইট স্কুল নেক্সট’ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবে। সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের কমান্ডিং জেনারেল মেজর জেনারেল ক্লেয়ার গিল জানিয়েছেন, নতুন এই প্রশিক্ষণ মডেলের মাধ্যমে পাইলটদের মৌলিক দক্ষতা আরও উন্নত হবে, যা তাদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলবে।
চুক্তি ও কর্মপদ্ধতি
তিন দশক মেয়াদী এই চুক্তির মূল্য ১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। চুক্তির শর্তানুসারে, এম১ সাপোর্ট সার্ভিসেস হেলিকপ্টার সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ, সিমুলেটর প্রদান এবং ফ্লাইং ও একাডেমিক প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে। তবে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ মান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মূল তদারকি সেনাবাহিনীর হাতেই থাকবে। প্রথম ধাপে তিন থেকে চার বছরের ট্রানজিশন পিরিয়ড বা রূপান্তর সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা
দীর্ঘ কয়েক মাসের প্রতিযোগিতার পর এম১-কে এই কাজের জন্য চূড়ান্ত করা হয়। বর্তমানে এয়ারবাসের ইউএইচ-৭২ লাকোটা হেলিকপ্টার ব্যবহার করে পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবে বর্তমানের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা অনেক সময় নতুন পাইলটদের প্রাথমিক মৌলিক দক্ষতা অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই সেনাবাহিনী এখন সহজ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং একক ইঞ্জিনের হেলিকপ্টার ব্যবহারের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।
এম১ সাপোর্ট সার্ভিসেস এই কর্মসূচিতে রবিনসন হেলিকপ্টার কোম্পানির আর-৬৬ মডেল ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে। এছাড়া জেনারেল ডাইনামিকস ইনফরমেশন টেকনোলজি এবং নর্থ ডাকোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যারোস্পেস ফাউন্ডেশনও এই প্রক্রিয়ায় সহযোগী হিসেবে কাজ করবে। এই কার্যক্রমটি ঠিকাদার মালিকানাধীন ও ঠিকাদার পরিচালিত (COCO) মডেলে পরিচালিত হবে।