যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ওয়্যারড-এর প্রতিবেদনে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কাজের জন্য আলাদা প্রোফাইল সেটআপের প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। সাংবাদিক ডেভিড নিল্ড জানিয়েছেন, এই ফিচারের মাধ্যমে একটি ফোনেই আলাদা দুটি প্রোফাইল ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব।
কেন এই ফিচার গুরুত্বপূর্ণ
স্মার্টফোন এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনেক সময় ব্যক্তিগত ফোন এবং কাজের অ্যাপ বা মেসেজ একই ডিভাইসে থাকায় কর্মক্ষেত্রের চাপ ব্যক্তিগত জীবনে মিশে যায়। অ্যান্ড্রয়েডের মাল্টিপল প্রোফাইল সুবিধা এই বিভাজন তৈরি করতে সাহায্য করে। এতে প্রোফাইল পরিবর্তনের সাথে সাথে অ্যাপ, নোটিফিকেশন এবং ফাইলও আলাদা হয়ে যায়, যা অনেকটা একই ডিভাইসে দুটি ফোন ব্যবহারের মতো অভিজ্ঞতা দেয়।
সেটআপ প্রক্রিয়া
এই সুবিধা পেতে হলে ব্যবহারকারীকে দুটি আলাদা গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হবে। ফোনে সেটিংস অপশনে গিয়ে সিস্টেম ও তারপর ইউজার্স মেনুতে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে অ্যাড ইউজার অপশনে ক্লিক করে নতুন প্রোফাইল তৈরি করা সম্ভব। এরপর নতুন গুগল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করলেই নতুন প্রোফাইলটি কার্যকর হবে। প্রতিটি প্রোফাইলের জন্য আলাদা লক পদ্ধতি যেমন পিন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস স্ক্যান সেট করা যায়।
প্রোফাইল পরিচালনা
দ্বিতীয় প্রোফাইলটি সেটআপ করার পর ফোনটি নতুন ডিভাইসের মতো দেখাবে। ব্যবহারকারীরা কুইক সেটিংস প্যানেল থেকে অথবা ইউজার্স মেনু থেকে খুব সহজে এক প্রোফাইল থেকে অন্য প্রোফাইলে সুইচ করতে পারবেন। তবে মনে রাখতে হবে, কিছু তথ্য যেমন ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক সব প্রোফাইলেই শেয়ার হয়, কিন্তু অ্যাপ বা ব্যক্তিগত ফাইলগুলো আলাদা থাকে। প্রয়োজন শেষ হলে ইউজার্স মেনু থেকে যেকোনো সময় দ্বিতীয় প্রোফাইলটি মুছে ফেলা সম্ভব। তবে উল্লেখ্য যে, সব অ্যান্ড্রয়েড নির্মাতা এই ফিচারটি একইভাবে কার্যকর করেনি, তাই ডিভাইসের মডেল ভেদে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে।