ঢাকাMonday , 24 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাজ্যে বাড়ি কেনা কি সহজ হচ্ছে? মিলিনিয়ালদের জন্য আসছে নতুন সম্ভাবনা


August 23, 2026 1:45 am
Link Copied!

যুক্তরাজ্যে আবাসন সংকট ও আকাশচুম্বী মূল্যের কারণে তরুণ প্রজন্মের জন্য নিজস্ব বাড়ি কেনা এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক ধার্শিনি ডেভিড এবং তার সহকর্মীদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, নব্বইয়ের দশকে তরুণদের তুলনায় বর্তমান সময়ে প্রথমবার বাড়ি ক্রেতাদের পরিস্থিতি বেশ প্রতিকূল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অবস্থার পরিবর্তনের কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে যা দীর্ঘমেয়াদী আবাসন সংকটের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘদিনের সংকট
কয়েক দশক ধরে বাড়ি তৈরির হার চাহিদার তুলনায় অনেক কম হওয়ায় আবাসন বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রতি বছর তিন লাখ বাড়ি তৈরির কথা থাকলেও গত বছর মাত্র দুই লাখ আট হাজার বাড়ি নির্মিত হয়েছে। নির্মাণ সামগ্রীর উচ্চ মূল্য, মুদ্রাস্ফীতি, দক্ষ শ্রমিকের অভাব এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে জ্বালানি সংকটের কারণে নির্মাণ ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে। এছাড়া কঠোর আইনি বাধ্যবাধকতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে আবাসন খাতের গতি ধীর হয়ে পড়েছে।

আশার আলো ও পরিবর্তন
পরিস্থিতি কিছুটা ইতিবাচক হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। গত কয়েক বছরে বাড়ির দামের তুলনায় মানুষের আয় বেড়েছে, ফলে সঞ্চয় করা কিছুটা সহজ হয়েছে। ২০২১ সালে বাড়ির দাম গড় আয়ের প্রায় নয় গুণ থাকলেও বর্তমানে তা সাত দশমিক ছয় গুণে নেমে এসেছে। বর্তমানে অনেক ব্যাংক মাত্র পাঁচ শতাংশ ডাউনপেমেন্টেই ঋণ সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া ঋণের মেয়াদ ৪০ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করায় মাসিক কিস্তির পরিমাণ সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। নেশনওয়াইডের তথ্যমতে, ২০০৭ সালে প্রথমবার বাড়ি ক্রেতারা আয়ের ৪৫ শতাংশ ঋণের কিস্তিতে খরচ করলেও বর্তমানে তা কমে ৩২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ
সরকার বর্তমানে আবাসন নির্মাণে গতি আনতে পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। গ্রিন বেল্ট এলাকায় বাড়ি তৈরির অনুমতি দেওয়ার মতো বিতর্কিত সিদ্ধান্তও আলোচনার টেবিলে রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, দীর্ঘমেয়াদী সমাধানে নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন এবং সরকারি এসব উদ্যোগের সুফল পেতে আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।