ঢাকাWednesday , 26 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

লো-কার্ব ডায়েটে কেন বাড়ে কোলেস্টেরল, কারণ জানালেন গবেষকরা


August 26, 2026 9:15 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ডে লো-কার্ব বা কম শর্করাযুক্ত ডায়েট অনুসরণকারীদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কেন ভিন্ন হয়, তা নিয়ে নতুন গবেষণা প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের পোস্টডক্টরাল স্কলার ডা. অ্যালেক্সা বারাড এই গবেষণাটি আমেরিকান সোসাইটি ফর নিউট্রিশনের বার্ষিক সম্মেলন ‘নিউট্রিশন ২০২৬’-এ উপস্থাপন করেছেন। এই গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে, জেনেটিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে লো-কার্ব ডায়েটের প্রভাব একেক ব্যক্তির শরীরে একেক রকম হয়।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, লো-কার্ব ডায়েটে সম্পৃক্ত চর্বি বা স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকলে তা কিছু মানুষের শরীরে এলডিএল (LDL) কোলেস্টেরলের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত। ডা. বারাড জানান, ডায়েট নিয়ে সাধারণ আলোচনার সময় বিষয়টিকে অতিরিক্ত সহজ করে দেখা হয়, যা ঠিক নয়। কারোর শরীরে লো-কার্ব ডায়েটে কোলেস্টেরল না বাড়লেও, বংশগত কারণে অন্য কারোর শরীরে তা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যেতে পারে।

গবেষণায় ৪৩১ জন ব্যক্তির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যারা এক বছর ধরে লো-কার্ব অথবা লো-ফ্যাট ডায়েট অনুসরণ করেছিলেন। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের বংশগতভাবে উচ্চ কোলেস্টেরলের প্রবণতা রয়েছে, তারা লো-কার্ব ডায়েট গ্রহণ করলে তাদের শরীরে এলডিএল বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশি থাকে। বিশেষ করে যখন সেই ডায়েটে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের আধিক্য থাকে, তখন এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। লো-ফ্যাট ডায়েট গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে অবশ্য এমনটি দেখা যায়নি।

ডা. বারাড আরও জানান, ডায়েট নিয়ে কাজ করার সময় সবার জন্য একই নিয়ম কার্যকর হয় না। তাই কেবল ডায়েট চার্ট অনুসরণ না করে নিয়মিত নিজের শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করা জরুরি। লো-কার্ব ডায়েট যারা মানছেন, তাদের ক্ষেত্রে মাখন বা প্রক্রিয়াজাত মাংসের পরিবর্তে বাদাম, বীজ, অলিভ অয়েল এবং অ্যাভোকাডোর মতো স্বাস্থ্যকর চর্বি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। তবে এই ফলাফলগুলো নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।