যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ভিডিও গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্যানিক তাদের প্লেডেট কনসোল ক্রেতাদের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত শুল্কের পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের সময় আরোপিত অবৈধ শুল্ক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিটি কনসোলের জন্য তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে যে বাড়তি অর্থ নিয়েছিল, তা এখন ফেরত দেওয়া হচ্ছে। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ওই শুল্ক ব্যবস্থাকে অবৈধ ঘোষণার পর প্যানিক সরকার থেকে সেই টাকা ফেরত পায় এবং এখন তা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
কেন এই উদ্যোগ
প্যানিক তাদের গ্রাহকদের পাঠানো ইমেইলে জানিয়েছে, তারা শুল্কের অর্থকে সাধারণ কর হিসেবে গণ্য করে চেকআউটের সময় গ্রাহকদের থেকে নিয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির সিইও ক্যাবল সাসের বলেন, এই অর্থ তাদের প্রাপ্য নয়, তাই এটি ফিরিয়ে দেওয়া নৈতিক দায়িত্ব। প্যানিক গত ২১ এপ্রিল থেকে নতুন অর্ডারের ক্ষেত্রে ১৯ শতাংশ শুল্ক নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তবে সরকারি তহবিল থেকে অর্থ ফেরত পেতে এবং তা বিতরণের ব্যবস্থা করতে আগস্ট মাস পর্যন্ত সময় লেগেছে।
বাজারের পরিস্থিতি
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রয়কারী অধিকাংশ কোম্পানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে বেশিরভাগ কোম্পানিই গ্রাহকদের অর্থ ফেরতের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। বর্তমানে অ্যামাজন, সনি ও নিনটেনডোর মতো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুল্কের টাকা ফেরতের দাবিতে ক্লাস-অ্যাকশন মামলা চলমান রয়েছে। ফেডেক্স, ইউপিএস এবং ডিএইচএল-এর মতো কিছু শিপিং কোম্পানি অবশ্য গ্রাহকদের অর্থ ফেরতের সুযোগ করে দিয়েছে।