যুক্তরাষ্ট্রের তরুণদের সামাজিক জীবনে গ্রুপ চ্যাটের প্রভাব ও এর থেকে সৃষ্ট অস্থিরতা নিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন রিস রজার্স। ইউগভ-এর এক জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ বছরের নিচে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অন্তত চারটি গ্রুপ চ্যাটে সক্রিয় থাকেন। আবার ৩ শতাংশ তরুণ ২০টিরও বেশি গ্রুপ চ্যাটের সাথে যুক্ত থাকায় ডিজিটাল যোগাযোগের এক ধরনের জটিলতায় ভুগছেন। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার বা মানসিক স্বস্তি বজায় রাখার কৌশলগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
প্রয়োজনীয় চ্যাট নির্বাচন
সব গ্রুপ চ্যাটে সক্রিয় থাকা বাধ্যতামূলক নয়। প্রথমেই পরিবার বা জরুরি কাজের সাথে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ চ্যাটগুলোকে আলাদা করতে হবে। যেসব গ্রুপে অনিয়মিত আলোচনা হয় বা প্রয়োজন নেই, সেগুলোকে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে মনোযোগ কেবল প্রয়োজনীয় গ্রুপগুলোতে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
গ্রুপ ত্যাগ করা
কোনো নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি গ্রুপ চ্যাট বা যেগুলোর কাজ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলো থেকে বের হয়ে আসা সবচেয়ে সহজ সমাধান। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজের নোটিফিকেশন থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদি কারো সাথে যোগাযোগ রাখার প্রয়োজন থাকে, তবে তাকে আলাদাভাবে ব্যক্তিগত মেসেজ দেওয়া যেতে পারে।
নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ
সব গ্রুপ ত্যাগ করা সম্ভব না হলে নোটিফিকেশন সেটিংস পরিবর্তন করতে হবে। স্মার্টফোনের ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ বা মিউট অপশন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট গ্রুপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা যেতে পারে। এতে কাজের সময় মনোযোগ বিঘ্নিত হবে না।
সৃজনশীলতা ও ব্যক্তিগত যোগাযোগ
গ্রুপ চ্যাটের একঘেয়েমি কাটাতে ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ পরিবর্তন বা মজার স্টিকার ব্যবহারের মতো সৃজনশীল উপায় অবলম্বন করা যায়। তবে সম্পর্কের গভীরতা বজায় রাখতে গ্রুপ মেসেজের চেয়ে সরাসরি ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা মুখোমুখি কথোপকথন অনেক বেশি কার্যকর ও অর্থবহ।