ঢাকাTuesday , 1 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতি চরম অসন্তোষ প্রকাশ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইনস্যুরেন্স ক্লেইম অ্যাডজাস্টাররা


August 31, 2026 11:15 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মক্ষেত্রে ইনস্যুরেন্স ক্লেইম অ্যাডজাস্টাররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিরুদ্ধে তাদের তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পেশাগত পর্যালোচনা প্ল্যাটফর্ম গ্লাসডোর-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, যেসব অ্যাডজাস্টার তাদের কর্মক্ষেত্রের এআই ব্যবহার নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তাদের ৯৮ শতাংশই বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখেছেন। অ্যাডজাস্টারদের মতে, কর্মক্ষেত্রে জোর করে ত্রুটিপূর্ণ প্রযুক্তি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা কাজের মান কমিয়ে দিচ্ছে।

গ্লাসডোর-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অ্যাডজাস্টারদের অভিযোগ মূলত এআই-এর ভুল তথ্য বা হ্যালুসিনেশনের কারণে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা নিয়ে। আমদ জ্যাকসন নামে এক সাবেক অ্যাডজাস্টার জানান, তার আগের কর্মস্থলে এআই ব্যবহারের ফলে ভুল তথ্য সংবলিত রিপোর্ট তৈরি হতো। সেই ভুলের দায়ভার শেষ পর্যন্ত মানুষের ওপরই পড়ত। এই ধরনের কাজের চাপ এবং বিভ্রান্তির কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন।

এই পেশায় নিয়োজিত কর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর ক্লান্তি। অ্যালাবামার মোবাইল শহরের ক্লেইম এক্সিকিউটিভ জিওফ্রে কনরাড বলেন, এআই প্রযুক্তি এখন তাদের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার মতে, এআই একটি হাতিয়ার হতে পারে, কিন্তু একে কখনোই সিদ্ধান্তের মূল দায়িত্ব দেওয়া উচিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিএলএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত এই খাতে কর্মসংস্থান ২১ শতাংশ কমেছে। এর পেছনে প্রযুক্তিগত অটোমেশন একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ইনস্যুরেন্স কোম্পানিগুলো এখন ছবি বা ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দ্রুত ক্ষতিপূরণের হিসাব করতে এআই ব্যবহার করছে।

তবে এই প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। পরামর্শক স্যান্ডি আভিরা জানান, সামান্য ভুলে এআই ভুল তথ্য দিতে পারে, যার ফলে ভুল আর্থিক লেনদেন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কনরাড তার নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বলেন, বীমার মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে মানুষের সহানুভূতি ও মানবিক বিচারবুদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।