ঢাকাFriday , 11 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

এলিয়েন কি সত্যিই পাওয়া গেছে? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা


September 11, 2026 1:15 am
Link Copied!

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অ্যাস্ট্রোবায়োলজিস্ট বা মহাকাশে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে কাজ করা গবেষকদের মধ্যে পরিচালিত এক জরিপে উঠে এসেছে এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানের বর্তমান পরিস্থিতি। মূলত ২০২৫ সালে পৃথিবী থেকে ১২৪ আলোকবর্ষ দূরের গ্রহ কে২-১৮বি এবং মঙ্গলের শিয়াভা ফলস পাথর নিয়ে প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানীরা এই মতামত দিয়েছেন। মহাকাশ গবেষণায় এলিয়েনের অস্তিত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করার মতো অকাট্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি বলে বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ মনে করছেন।

কে২-১৮বি নিয়ে বিতর্ক

২০২৫ সালের এপ্রিলে বিজ্ঞানীরা কে২-১৮বি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে ডাইমিথাইল সালফাইড ও ডাইমিথাইল ডাইসালফাইডের মতো রাসায়নিক অণুর সম্ভাব্য উপস্থিতি শনাক্ত করেন। পৃথিবীতে এসব অণু সমুদ্রের ক্ষুদ্র জীব বা অণুজীবের উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। তবে জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বিজ্ঞানী মনে করেন এটি প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বিজ্ঞানী এই দাবির সঙ্গে একমত নন এবং ২৮ শতাংশ কোনো স্পষ্ট মত দেননি। এর মূল কারণ হলো, পৃথিবী থেকে প্রাপ্ত আলোর বিশ্লেষণের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের ধারণা নেওয়া হচ্ছে, যা সরাসরি পরীক্ষা করা সম্ভব নয়।

মঙ্গলের পাথর ও বিজ্ঞানীদের সতর্কতা

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নাসার পার্সিভারেন্স রোভার মঙ্গলের পৃষ্ঠে শিয়াভা ফলস নামের একটি পাথর খুঁজে পায়। পাথরটিতে চিতাবাঘের দাগের মতো বিশেষ গঠন দেখা যায়, যা পৃথিবীতে অণুজীবের কার্যকলাপের মাধ্যমে তৈরি হতে পারে। এই বিষয়ে ১৫ দশমিক ১ শতাংশ বিজ্ঞানী প্রাণের সম্ভাবনার পক্ষে মত দিয়েছেন, তবে ৪৪ দশমিক ৬ শতাংশ বিজ্ঞানী এর সঙ্গে একমত নন। ৪০ দশমিক ৩ শতাংশ বিজ্ঞানী কোনো পক্ষ নেননি।

কেন বিজ্ঞানীরা সতর্ক?

জরিপে দেখা গেছে, বিজ্ঞানীদের বড় একটি অংশ মঙ্গলের ক্ষেত্রে কে২-১৮বি গ্রহের তুলনায় কিছুটা বেশি আশাবাদী। তবে বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট করেছেন যে, কোনো রাসায়নিক সংকেত বা খনিজ গঠন পাওয়া মানেই প্রাণ থাকা নয়। মহাকাশে প্রাণের সন্ধানে পাওয়া প্রতিটি সূত্র যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে জীবনের অস্তিত্ব ছাড়াই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় অনুরূপ রাসায়নিক বা ভূতাত্ত্বিক গঠন তৈরি হতে পারে। তাই বর্তমান বৈজ্ঞানিক তথ্য এলিয়েনের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।