যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম জেডনেট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুগল পিক্সেল ১১ স্মার্টফোনটি পিক্সেল ৯-এর তুলনায় বড় ধরনের কোনো বাহ্যিক পরিবর্তন না আনলেও অভ্যন্তরীণ সক্ষমতায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন এনেছে। প্রযুক্তি লেখক মারিয়া দিয়াজ জানিয়েছেন, যারা গত কয়েক বছর নতুন ফোন কেনেননি, তাদের জন্য পিক্সেল ১১ একটি কার্যকর আপগ্রেড হতে পারে।
পিক্সেল ১১-এ ব্যবহৃত হয়েছে নতুন গুগল টেন্সর জি৬ প্রসেসর, যা আগের জেনারেশনের তুলনায় কাজের গতি এবং প্রসেসিং দক্ষতায় বেশ উন্নতি এনেছে। ফোনটির গঠন পিক্সেল ৯-এর মতোই ৬.৩ ইঞ্চির, তবে নতুন মডেলে বেস স্টোরেজ হিসেবে ২৫৬ জিবি সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে, যা পিক্সেল ৯-এর ১২৮ জিবি থেকে দ্বিগুণ।
ক্যামেরার ক্ষেত্রে নতুন পিক্সেল ১১-এ ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ দেওয়া হয়েছে। আগের মডেলের তুলনায় মূল ক্যামেরার রেজল্যুশন কিছুটা কমলেও টেলিফটো লেন্স যুক্ত হওয়ায় দূরবর্তী ছবি তোলার ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা বাড়তি সুবিধা পাবেন। এছাড়া ভিডিওর ক্ষেত্রে লো-লাইট পারফরম্যান্স এবং ৪কে সিনেমাটিক ব্লারে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন আনা হয়েছে।
দাম ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য
নতুন পিক্সেল ১১-এর দাম শুরু হয়েছে ৮৯৯ ডলার থেকে, যা পিক্সেল ৯-এর প্রারম্ভিক মূল্যের তুলনায় ১০০ ডলার বেশি। যদিও দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে বর্ধিত স্টোরেজ ও ১২ জিবি র্যামের সুবিধা গ্রাহকদের বাড়তি মূল্য পরিশোধে উৎসাহিত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসেসরের উন্নতি এবং নতুন টেলিফটো লেন্সের সমন্বয়ে ফোনটি দৈনন্দিন ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে জানিয়েছেন লেখক।