যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপলের আসন্ন ইভেন্টের আগে নতুন ডিভাইস নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে, যেখানে র্যাম সংকট ও উচ্চ উৎপাদন ব্যয়ের কারণে নতুন আইফোনের দাম ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ট্রেন্ডফোর্স। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বিশ্বজুড়ে র্যামের উচ্চমূল্যের প্রভাব সরাসরি আইফোন ১৮ সিরিজের ওপর পড়তে যাচ্ছে।
ট্রেন্ডফোর্সের তথ্য অনুযায়ী, ২৫৬ জিবি স্টোরেজযুক্ত প্রো মডেলগুলোতে মেমোরি বাবদ ব্যয় গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। অ্যাপল অন্য যন্ত্রাংশের দাম কমিয়ে খরচ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও, সামগ্রিক উৎপাদন ব্যয়ের চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এর আগে জুন মাসে র্যাম সংকটের কারণে অ্যাপল কিছু পণ্যের দাম বাড়ালেও আইফোনের ক্ষেত্রে তা থেকে বিরত ছিল। তবে এবার নতুন সিরিজের ক্ষেত্রে দাম বাড়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্তাবিত আইফোন আল্ট্রা বা ফোল্ডেবল মডেলের দাম নিয়ে বিশ্লেষকদের ধারণা, এর শুরুর দাম ২ হাজার ৯৯ থেকে ২ হাজার ২৯৯ ডলার হতে পারে। তবে অ্যাপল ক্রেতাদের ওপর চাপ কমাতে কিছু খরচ নিজেরা বহন করার কৌশল গ্রহণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন আইফোনে বড় ধরনের পারফরম্যান্স পরিবর্তনের চেয়ে এআই ফিচার, উন্নত প্রসেসর, দক্ষ কুলিং প্রযুক্তি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ডিসপ্লের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইফোন ১৮ প্রো মডেলের ক্যামেরায় মেকানিক্যাল ভেরিয়েবল অ্যাপারচার ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর লক্ষ্যে বড় চ্যাসিস বা কাঠামো ব্যবহার করা হতে পারে, যা প্রিমিয়াম মডেলগুলোতে বড় পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।