যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম জেডডিনেটের জ্যেষ্ঠ অবদানকারী সম্পাদক কেরি ওয়ান গুগলের নতুন স্মার্টফোন পিক্সেল ১১ প্রো ফোল্ড ব্যবহার করে পুনরায় স্যামসাংয়ের ফোনে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এক সপ্তাহ ব্যবহারের পর তিনি জানিয়েছেন, ফোনটিতে কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন আনা হলেও তা ১৯০০ ডলার মূল্যের এই ডিভাইসের জন্য যথেষ্ট নয়।
ডিজাইন ও গঠন
পিক্সেল ১১ প্রো ফোল্ডের ডিজাইন গত কয়েক প্রজন্মের ফোনের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আগের তুলনায় এর ওজন কিছুটা কমলেও স্যামসাং গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮-এর তুলনায় এটি ভারী। ফোনটিতে নতুন গ্লাস-সিরামিক উপাদানের ব্যবহার একে স্ক্র্যাচ থেকে সুরক্ষায় আগের চেয়ে শক্তিশালী করেছে। এছাড়া ক্যামেরা মডিউলে থাকা হাইলাইট রিংটি কল বা জেমিনির প্রতিক্রিয়ায় আলো দেয়, তবে এর কার্যকারিতা সীমিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষক।
ডিসপ্লে ও পারফরম্যান্স
ফোনটির সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো এর অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যা ৩৬০০ নিটস পর্যন্ত উজ্জ্বল হতে পারে। তীব্র রোদেও এটি বেশ কার্যকর। অ্যান্ড্রয়েড ১৭ ও নতুন টেনসর জি৬ চিপসেটের সমন্বয়ে ফোনটির গতি সন্তোষজনক হলেও গেমিংয়ের সময় এটি গরম হয়ে যায় এবং ফ্রেম রেট কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া ব্যাটারি সক্ষমতাও আগের চেয়ে কমানো হয়েছে, যা দিয়ে দীর্ঘ সময় চলা কঠিন হয়ে পড়ে।
ক্যামেরা ও মূল্যায়ন
ফোনটির ক্যামেরা আগের প্রজন্মের চেয়ে কিছুটা ভালো হলেও এর এইচডিআর প্রসেসিং ছবিকে কিছুটা কৃত্রিম করে তোলে। জেমিনির নতুন এআই ফিচারগুলো ভিডিও রেকর্ডিং বা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সহায়ক হলেও সামগ্রিকভাবে এই দামের তুলনায় ফোনটি পাওয়ার ইউজারদের জন্য খুব একটা আকর্ষণীয় নয়। কেরি ওয়ানের মতে, স্থায়িত্বের দিক থেকে এটি ভালো হলেও গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮-এর মতো ফোনগুলো ব্যবহারকারীদের তাৎক্ষণিক তৃপ্তি দিতে সক্ষম।