ঢাকাTuesday , 25 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মানব ডিএনএ-এর গোপন ‘অন সুইচ’ শনাক্ত


August 24, 2026 9:15 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, স্যান ডিয়েগোর একদল গবেষক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে মানব ডিএনএ-র একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ শনাক্ত করেছেন, যা জিনকে সক্রিয় করার ‘অন সুইচ’ হিসেবে কাজ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেমস টি. কাডোনাগার নেতৃত্বাধীন গবেষণা দল এই তথ্য জানিয়েছে। মানুষের জিনের সঠিক কার্যক্রম এবং কোষের সুস্থতার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে জিন সক্রিয় হওয়া অত্যন্ত জরুরি, যা এই আবিষ্কারের মাধ্যমে আরও স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব হবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কোষের ভেতরে প্রয়োজনীয় এনজাইম, হরমোন এবং প্রোটিন উৎপাদনের নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে ডিএনএ। তবে জিন সক্রিয়করণের প্রক্রিয়াটি ভুল হলে তা ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগের কারণ হতে পারে। গবেষকরা ডিএনএ-র যে অংশটিকে ‘ইনিশিয়েটর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তা জিন প্রকাশের শুরুর জায়গা নির্দেশ করে।

এই গবেষণায় স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী টরি রাইন-ক্যারিগের নেতৃত্বে গবেষক দলটি প্রায় ৫ লাখ ডিএনএ সিকুয়েন্স বিশ্লেষণ করেন। ল্যাবরেটরিতে প্রাপ্ত তথ্য দিয়ে একটি মেশিন লার্নিং সিস্টেমকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা পরে ডিএনএ-র ভেতর ওই সুনির্দিষ্ট ‘অন সুইচ’ বা সংকেত শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরীক্ষায় দেখা গেছে, মানব জিনের প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রেই এই ইনিশিয়েটর বর্তমান।

অধ্যাপক জেমস টি. কাডোনাগা জানান, এই এআই মডেলটি প্রথমবারের মতো ডিএনএ-র বেস সিকুয়েন্সের প্যাটার্ন ডিকোড করতে পেরেছে। এটি ভবিষ্যতে জিনের মিউটেশনের ফলে কী ধরনের রোগ হতে পারে, তা আগেভাগেই অনুমান করতে সাহায্য করবে। এছাড়াও এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম প্রমোটার ডিজাইন করা সম্ভব হবে, যা নির্দিষ্ট প্রয়োজনে জিনকে অন বা অফ করতে ব্যবহার করা যাবে।

গবেষকদের লক্ষ্য হলো কোষের ভেতরে থাকা প্রায় ছয়শ কোটি ডিএনএ বেসের একটি পূর্ণাঙ্গ ম্যাপ তৈরি করা, যা মানুষের জিনের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণের পূর্ণাঙ্গ সংকেত বা ‘জিন এক্সপ্রেশন কোড’ উন্মোচন করবে। এআই-এর এই ব্যবহারিক প্রয়োগ চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে তারা আশাবাদী।