ঢাকাThursday , 27 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

এইচএমআরসির ফোন কলে দীর্ঘ অপেক্ষায় ৩০ পাউন্ড কর ছাড়ের প্রস্তাব রিফর্মের


August 26, 2026 11:15 pm
Link Copied!

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে রিফর্ম ইউকের অর্থনীতি বিষয়ক মুখপাত্র রবার্ট জেনরিক ঘোষণা করেছেন যে, তার দল ক্ষমতায় গেলে এইচএমআরসির (এইচএম রেভিনিউ অ্যান্ড কাস্টমস) হেল্পলাইনে ৩০ মিনিটের বেশি অপেক্ষায় থাকা গ্রাহকদের কর বিল থেকে ৩০ পাউন্ড ছাড় দেওয়া হবে। করদাতাদের প্রতি এইচএমআরসির আচরণকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে জেনরিক জানান, গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতনকে সরাসরি তাদের কাজের পারফরম্যান্সের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

প্রস্তাবিত এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো করদাতা বছরে সর্বোচ্চ দুইবার এই সুবিধা নিতে পারবেন। জেনরিকের মতে, সরকারি কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।

এইচএমআরসির বর্তমান পরিস্থিতি

তবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এইচএমআরসি। কর্তৃপক্ষের দাবি, গত দুই বছরে তাদের গ্রাহক সেবা পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে গড়ে ১১ মিনিট অপেক্ষা করলেই গ্রাহকরা সেবা পাচ্ছেন। এছাড়া ডিজিটাল সেবার প্রসারের ফলে এখন প্রায় ৮০ শতাংশ গ্রাহক অ্যাপ বা অনলাইনের মাধ্যমে কর সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করছেন।

বিতর্কের পটভূমি

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির এক প্রতিবেদনে এইচএমআরসির টেলিফোন সেবার কঠোর সমালোচনা করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, ২০২৪ সালে প্রায় ৪৪ হাজার গ্রাহক এক ঘণ্টার বেশি সময় ফোনে অপেক্ষায় থাকার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছিলেন। রবার্ট জেনরিক সেই প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় করদাতাদের আস্থা নষ্ট হয়েছে।

ব্যবসায়িক নীতিমালা

কর ছাড়ের পাশাপাশি রবার্ট জেনরিক বিদ্যমান ডেটা সুরক্ষা আইন বা জিডিপিআর পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ব্রিটেনের ছোট ব্যবসা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থেকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে নিউজিল্যান্ডের আদলে নতুন এবং সহজতর ডেটা নীতিমালা চালু করা হবে। তবে লেবার পার্টি এই পরিকল্পনার সমালোচনা করে জানিয়েছে যে, এটি জনগণের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষাকে হুমকির মুখে ফেলবে।