যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম জেডডিএনইটি-এর সাংবাদিক ম্যাথু মিলার সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে গারমিন ফোররানার ১৭০ এবং করোস পেস ৪ মডেলের স্মার্টওয়াচ দুটির কার্যকারিতা যাচাই করেছেন। ৩০০ ডলারের কম মূল্যের এই দুটি ঘড়িই উন্নত অ্যামোলেড ডিসপ্লে, হার্ট রেট সেন্সর এবং আধুনিক প্রশিক্ষণ মেট্রিকস সমৃদ্ধ। ডিভাইস দুটি ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে।
ম্যাথু মিলার জানিয়েছেন, তিনি কয়েক সপ্তাহ ধরে সাইক্লিং, হাইকিং ও দৌড়ানোর সময় এই ঘড়িগুলো ব্যবহার করেছেন। তার মতে, অ্যাপল বা স্যামসাংয়ের সাধারণ স্মার্টওয়াচের তুলনায় এই ঘড়িগুলোর ব্যাটারি সক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ। তবে ব্যবহারের ধরন ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে গ্রাহকদের ভিন্ন ঘড়ি বেছে নেওয়া উচিত।
কেন গারমিন ফোররানার ১৭০ কিনবেন
ফোররানার ১৭০ মডেলটিতে গারমিনের ঐতিহ্যবাহী পাঁচটি ফিজিক্যাল বাটন রয়েছে, যা খারাপ আবহাওয়াতেও ব্যবহার করা সহজ। যারা আগে থেকেই গারমিনের অন্যান্য পণ্য যেমন হার্ট রেট মনিটর বা স্মার্ট স্কেল ব্যবহার করছেন, তাদের জন্য এই ঘড়িটি বেশি কার্যকর। এছাড়া এতে গারমিন পে সুবিধা রয়েছে। অ্যাপল বা গুগল ওয়াচের তুলনায় এতে থার্ড-পার্টি অ্যাপ ব্যবহারের অধিক সুযোগ পাওয়া যায়।
কেন করোস পেস ৪ কিনবেন
রিপোর্ট অনুযায়ী, লোকেশন ট্র্যাকিং বা জিপিএস নির্ভুলতার ক্ষেত্রে করোস পেস ৪ এগিয়ে রয়েছে। এতে ডুয়াল ফ্রিকোয়েন্সি জিএনএসএস চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে, যা বন বা উঁচু ভবনের পাশেও সঠিক তথ্য দিতে সক্ষম। এছাড়া ব্যাটারি লাইফের দিক থেকেও এটি গারমিনের তুলনায় দীর্ঘস্থায়ী। করোস তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে ‘ট্রেনিং হাব’ সুবিধা প্রদান করে, যা কোচিং ও প্রশিক্ষণ পরিকল্পনায় বেশ কার্যকর।
পরবর্তী পদক্ষেপ
ম্যাথু মিলার জানান, যারা ছোট কব্জির মাপের জন্য ঘড়ি খুঁজছেন তাদের জন্য দুটিই চমৎকার অপশন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে গারমিন ইকোসিস্টেমে অভ্যস্ত হওয়ায় গারমিনকে অগ্রাধিকার দিলেও, করোস-এর ইন্টারফেস ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি জীবনকে অত্যন্ত কার্যকর বলে প্রশংসা করেছেন।