যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রযুক্তিবিষয়ক লেখক ম্যাক মিলার ডিসপ্লে রেজোলিউশনের জটিলতা ব্যাখ্যা করেছেন। বর্তমান বাজারে স্মার্টফোন, কম্পিউটার মনিটর বা টিভির ক্ষেত্রে কিউএইচডি, ডব্লিউকিউএইচডি, ৪কে এবং ৫কে-এর মতো বিভিন্ন টার্ম ব্যবহার করা হয়, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
কিউএইচডি এবং ডব্লিউকিউএইচডি বা ২কে
কিউএইচডি (Quad High Definition) এবং ডব্লিউকিউএইচডি (Wide Quad High Definition) মূলত একই রেজোলিউশন, যা ২,৫৬০ x ১,৪৪০ পিক্সেল নির্দেশ করে। এটি ২কে রেজোলিউশন নামেও পরিচিত। ১৬:৯ এসপেক্ট রেশিওতে এগুলো সাধারণত স্মার্টফোন এবং পিসি মনিটরের জন্য আদর্শ। অনেক স্মার্টফোনে ৪কে ডিসপ্লে থাকলেও ব্যাটারি সাশ্রয়ের জন্য ২কে রেজোলিউশন একটি ভারসাম্যপূর্ণ পছন্দ হিসেবে বিবেচিত হয়।
সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা ও ৪কে
৪কে রেজোলিউশন সাধারণত টেলিভিশনের জন্য ইউএইচডি (৩,৮৪০ x ২,১৬০ পিক্সেল) হিসেবে পরিচিত। এটি ১০৮০পি রেজোলিউশনের চার গুণ বেশি পিক্সেল বহন করে। তবে চলচ্চিত্র শিল্পের ক্ষেত্রে ডিসিআই ৪কে স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী পিক্সেল সংখ্যা ৪,০৯৬ x ২,১৬০ পর্যন্ত হয়ে থাকে। হাই-এন্ড গেমিং পিসি ব্যবহারকারীদের জন্য ৪কে ডিসপ্লে বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়, কারণ আধুনিক গ্রাফিক্স কার্ডগুলো এই রেজোলিউশনে উচ্চ ফ্রেম রেট প্রদান করতে সক্ষম।
সৃজনশীল কাজে ৫কে-এর ব্যবহার
৫কে রেজোলিউশন মূলত পেশাদার সৃজনশীল কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫,১২০ x ২,৮৮০ পিক্সেলের ৫কে মনিটরগুলো ভিডিও এডিটরদের জন্য খুবই কার্যকর, কারণ এতে ৪কে কন্টেন্ট এডিট করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় টুলবার ব্যবহারের জন্য বাড়তি জায়গা পাওয়া যায়। অ্যাপল স্টুডিও ডিসপ্লে এক্সডিআর বা ডেল আল্ট্রাশার্পের মতো মডেলগুলো এই শ্রেণির ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। গেমিংয়ের ক্ষেত্রে ৫কে মনিটর ব্যবহারের হার কম, কারণ এর জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী ও ব্যয়বহুল গ্রাফিক্স কার্ডের প্রয়োজন হয়।