ঢাকাThursday , 3 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

নতুন ফ্রিগেটে ফরাসি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করার সম্ভাবনা যাচাই করবে সুইডেন


September 2, 2026 6:15 pm
Link Copied!

সুইডেনের স্টকহোমে ফ্রান্সের কাছ থেকে নতুন চারটি এফডিআই ফ্রিগেট কেনার চুক্তির পর, দেশটিতে নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে ফরাসি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করার কথা জানিয়েছে সুইডিশ কর্তৃপক্ষ। সুইডেনের সেনাপ্রধান জেনারেল মাইকেল ক্লায়েসন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাল জনসন জানিয়েছেন, তারা নতুন ফ্রিগেটের সঙ্গে ফরাসি নৌ-ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের ফাঁকে জেনারেল ক্লায়েসন বলেন, বর্তমানে তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো নতুন ফ্রিগেটের সঙ্গে সুইডেনের নিজস্ব অস্ত্র ও সেন্সর সিস্টেমের সমন্বয় ঘটানো। তবে ফরাসি দূরপাল্লার নৌ-ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রস্তাবটি তারা অবশ্যই মূল্যায়ন ও আলোচনা করবেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাল জনসন ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, দূরপাল্লার নিখুঁত আঘাত হানার সক্ষমতা থাকা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জরুরি। তিনি জানান, এফডিআই ফ্রিগেটগুলো মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করলেও, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সুযোগ থাকলে তা ভবিষ্যতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর উপস্থিতিতে ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউরোর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ফ্রিগেটগুলোতে অ্যাস্টার ৩০ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আধুনিক ব্যবস্থা থাকবে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ তার বক্তব্যে ইঙ্গিত দেন যে, ভবিষ্যতে সুইডিশ ফ্রিগেটগুলোতে নৌ-ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

যদিও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে প্যারিস তাদের এমবিডিএ কোম্পানির এমডিসিএন নৌ-ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সুইডেনকে দিতে আগ্রহী। সুইডেন বর্তমানে ইউরোপীয় দূরপাল্লার স্ট্রাইক অ্যাপ্রোচ (ELSA) উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ২০৩০ সালে প্রথম ফ্রিগেটটি সরবরাহ পাওয়ার কথা রয়েছে।